ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতাঃ
বেগুন চাষাবাদে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন মাঈন উদ্দিন নামে এক কৃষক। তিনি মালচিং পদ্ধতিতে এ চাষাবাদ করে অল্প খরচে অধিক উৎপাদন করে এখন মোটা অংকের টাকা আয় করছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়,এ কৃষক এর আগে সেলুন ব্যবসা করতেন। আগ্রহ থেকে এবার তিনি কৃষি বিভাগের পরার্মশে বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করেন। নতুন এ পদ্ধতিতে চাষ করে ভালো ফলন পাওয়ায় তার মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা।
মালচিং পলিথিনে ঢাকা জমিতে সারি সারি বেগুনগাছ। গাছগুলোতে ঝুলছে অসংখ্য বেগুন। নিয়মিত পরিচর্যার পাশাপাশি মাঈন উদ্দিন নিজেই জমি থেকে বেগুন সংগ্রহ করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৪৫ কেজি বেগুন সংগ্রহ করা হচ্ছে। আরও প্রায় দুই মাস এ জমি থেকে বেগুন সংগ্রহ করা যাবে।
মাঈন উদ্দিন বলেন, আমার বাবা কৃষিকাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে মাঠে যাওয়া-আসা করতাম। তখন থেকেই কৃষির প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। শুরুতে বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে পার্পল কিং জাতের বেগুন চাষ করি। আগে এভাবে চাষ করিনি। মালচিং দেওয়ার পর জমিতে আগাছা কম হয়েছে। মাটিতে আর্দ্রতাও ভালো থাকছে। গাছের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হয়েছে।
নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মাঈন উদ্দিন মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পেয়েছেন। মাঈন উদ্দিনের সাফল্য দেখে চলতি মৌসুমে প্রায় চার বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
কৃ/স/জয়