কুড়িগ্রাম সংবাদদাতাঃ
কুড়িগ্রামে চলতি মৌসুমে নানা দুর্যোগ মোকাবেলা করেও সবজি চাষাবাদে ভাল ফলন পেয়েছেন চাষীরা। শুধু ফলন নয়,বাজারে ভাল দামে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে।
জেলার রাজারহাট উপজেলার মীরেরমাড়ি গ্রামের মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বেগুন, পটল, করলা, বরবটি, চালকুমড়া, ঢেঁড়শ, কাকরোল, ধুন্ধল, ঝিঙে, চিচিঙে কলমি, পুঁই, লালশাক ও ডাটাশাকসহ বিভিন্ন বর্ষা সহিষ্ণু শাকসবজি। বিগত দিনের দুর্যোগ মোকাবেলা করেও ভাল ফলন হয়েছে সবজির। এখানে প্রায় ৭৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা। বাজারে এই সবজি বিক্রি করে অনেক টাকা আয় করেতে পারছেন চাষীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদা মিটিয়ে জেলার সবজির আঁধার খ্যাত রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ি গ্রাম থেকে সবজি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
কৃষক দুলাল পাটোয়ারী বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পটলের আবাদ ভালো হয়েছে। দামেও ভালো পাচ্ছি। ৪৫ শতাংশ জমিতে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে পটল বিক্রি করেছি ৬০ হাজার টাকা পেয়েছি। আরও যে পটল আছে, তা ১ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে,কুড়িগ্রাম জেলায় চলতি খরিপ-২ মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় এবার সবজি বিক্রি করে চাষীরা রাভবান হচ্ছেন।
রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের কৃষক সিরাজুল ইসরাফিল বলেন, মাটি উর্বর ও চাষের জন্য অনুকূল হওয়ায় একই জমিতে চরবার ফলন পাচ্ছি। পর্যায়ক্রমে একই জমিতে বিভিন্ন সবজিচাষ করে অতিরিক্ত আয় করতে পারছেন কৃষকরা।
রাজারহাট উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা হৈমন্তী রানী জানান, সবজিচাষ করে চাষিরা আর্থিকভাবে অধিক লাভবান হচ্ছেন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় সবজি বিক্রি করে চাহিদা মেটাচ্ছেন। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি।
কৃ/স/জয়