কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইউএনওর কার্যালয় এখন পাখিদের আবাসস্থল

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার কার্যালয় চত্বর এখন পাখিদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন শত শত শামুকখোল পাখি এখানে গাছে গাছে অবস্থান করছে। যা সৃষ্টি করেছে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। এ দৃশ্য সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার কার্যালয় চত্বরের বাগানে। যা দেখতে প্রতিদিনি ভীড় করছেন প্রকৃতি প্রেমীরা।

জানা যায়, অতি সম্প্রতি যমুনা নদীর তীরবর্তী অবস্থিত ওই উপজেলা কার্যালয় চত্বর এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছে কয়েক মাস ধরে শামুকখোল পাখির বসবাস। শুরুতে এ সংখ্যা কম থাকলেও পরবর্তীতে ঝাঁকে ঝাঁকে আরও পাখি আসতে থাকে এখানে। দেশি বক পাখির মত হরেও আকারে বড় এসব পাখি সাদা ও কালো ডোরাযুক্ত স্বাস্থ্যবান।  কার্যালয় চত্বরের গাছে গাছে ইতোমধ্যে তারা বাসা বেঁধেছে। যেখানে কেউ ডিম দিয়ে বাঁচ্চা ফিুটিয়েছে।  প্রতিদিন সকালে পাখিগুলো খাদ্যের সন্ধানে যমুনা নদীর বিভিন্ন দিকে যায়। দুপুওে আবার বাসায় ফিরে আসে।  সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের কলরবে মুখর থাকে পুরো এলাকা। এ দৃশ্য দেখতে পড়ন্ত বিকেলে নারী-পুরুষ উপজেলা কার্যালয় চত্বরে ভিড় জমায়। বিশেষ করে পাখিপ্রেমীরা ছবি ও সেলফি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করেন।

বেলকুচি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক বলেন, এসব পাখি ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসে। খাদ্যের প্রাপ্যতা ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশের কারণে তারা বাংলাদেশে অবস্থান করে। এদের প্রধান খাদ্য শামুক, ছোট মাছ, ঝিনুক ও ব্যাঙ। খাদ্যের সন্ধানে তারা প্রতিদিন সকালে যমুনা নদীতে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে ফিরে এসে আবাসস্থলে কলরব করে। অন্য স্থান থেকে গাছের পাতা ও ছোট ডাল সংগ্রহ করে তারা বাসা তৈরি করে এবং অনেক পাখি ইতোমধ্যে বাচ্চাও দিয়েছে। শামুকখোল পাখির জীবনযাত্রায় গ্রীষ্মকালীন বা শীতকালীন বৈশিষ্ট্যের তেমন পার্থক্য নেই। ধারণা করা হয়, বকজাতীয় পাখির সঙ্গে এদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান বলেন, উপজেলা কার্যালয় চত্বরে কয়েক মাস আগে শামুকখোল পাখির নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে উঠেছে। এশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাখিগুলো এখানে এসেছে। দেখতে অত্যন্ত সুন্দর এসব পাখির কলরবও মনোমুগ্ধকর। প্রতিদিন পাখি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। পাখির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাবার ড্যামের ছিদ্রে ঝুঁকিতে চাষাবাদ

1

ক্যাপসিকাম চাষে কৃষকের মুখে হাসি

2

পেস্টিসাইড নিয়ন্ত্রণে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে-কৃষি, মৎস্

3

আগাম শিমে বাড়তি লাভের আশা কৃষকদের

4

ঘুরে দাঁড়াচ্ছে লস্করপুর ভ্যালির ২৪ চা-বাগান

5

বগুড়ায় মাছের উৎপাদন বেড়েছে

6

রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে নতুন রুপ দেয়া হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ

7

কৃষি প্রকল্পের এক পিডির বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ

8

হর্টিকালচার সেন্টারে চারা-কলমের নতুন মূল্য নির্ধারণ

9

ফসলি জমিতে ইটভাটা বন্ধ করলো প্রশাসন

10

সাশ্রয়ীমূল্যে সার সরবরাহে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ : সংসদে

11

বিলুপ্তির পথে সাদা বক

12

৫০ প্রজাতির দেশি মাছ এখন বিলুপ্তির পথে

13

খাল খনন না হওয়ায় ফেরত গেল ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা

14

দিনাজপুরে এক হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার আম বিক্রি

15

চুক্তিতে কৃষিসচিব থাকছেন ওয়াহিদা আক্তার

16

দুম্বা পালনে রবিউলের সফলতা

17

জলাবদ্ধতায় অনাবাদি ২শ’ একর জমি

18

রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা

19

টানা বৃষ্টিতে পানির নিচে ৮৪০ হেক্টর জমির ধান

20