কৃষি সময়
প্রকাশ : Sep 4, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আগাম শিমে বাড়তি লাভের আশা কৃষকদের

পাবনা সংবাদদাতাঃ

পাবনায় এবার আগাম জাতের শিম চাষাবাদে বাম্পার ফলন ও লাভের আশা করছেন চাষীরা। ইতোমধ্যে তাদের জমির শিম গাছে ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। দিনরাত তার যত্ন করছেন তারা। তারা আশা করছেন সপ্তাহ খানেক পরেই শিম তুলে বিক্রি করে তারা লাভবান হবেন।

 আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঠে বিপুল পরিমাণ জমিতে এবার আগাম জাতের শিম চাষাবাদ হয়েছে। জমির মাচায় দমকানো শিম গাছে প্রচুর ফুল ধরেছে। কোন কোন গাছে ফুল ঝরে শিম ধরেছে। ফুলে ফুলে ভরে গেছে মাঠের শিম গাছ। কৃষকরা এসব শিম গাছে কেউ কিটনাশক ছিটাচ্ছেন। কেউ মাচায় লতা ঠিক করছেন। দিনভর শিম খেতে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। মাঝে টানা,বৃষ্টি আর রোদের সমষ্যায় ভুগেছেন তারা। ঝুঁকিতে ছিলেন খেতে পোঁকার আক্রমনের। তবে নিয়মিত পরিচর্যা করায় এখন সেই আশঙ্কা কাটিয়ে উঠেছেন।

এ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে চলতি বছর ১ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের শিমের চাষ হয়েছে। কৃষকরা আশা করছেন সামনে সপ্তাহ থেকে এখান থেকে শিম তুলে ভাল দামে বিক্রি করতে পারবেন।

এখানকার কৃষকদের অভিযোগ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ নিয়ে সমস্যার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষি অফিসের কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা ও পরামর্শও তারা পাচ্ছেন না। সময়মতো পরামর্শ পাওয়া গেলে রোগবালাই ও আবহাওয়াজনিত ক্ষতি মোকাবিলা করে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

সারাবাড়িয়া গ্রামের কৃষক মো. হায়দার আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় হঠাৎ করে বৃষ্টি হচ্ছে বৃষ্টি শেষে আবার রোদ বের হচ্ছে। এতে শিমের বিভিন্ন ধরনের রোগ বালাই দেখা দিচ্ছে, ফুলগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এত সমস্যার মধ্যে আছি তবুও কৃষি অফিস থেকে আমাদের কোনো সহযোগিতা করেনি।

একই গ্রামের আরেক কৃষক সানোয়ার হোসেন খোকন বলেন, শিম চাষে আমরা ঠিকভাবে জমিতে সার দিতে পারছি না। সারের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় এটা চাষ করে আমাদের লাভ করা মুশকিল। খরচের হারটা আমাদের বেশি হয়ে যাচ্ছে। বিঘা প্রতি প্রায় ৫০-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সেইভাবে ফসলের দাম পাব কি না জানি না। সরকার সারের দাম যেটা নির্ধারণ করে দিয়েছে সেই দামে আমরা কৃষকরা পাচ্ছি না।

আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা মোতমাইন্না বলেন, আটঘরিয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ১১৬০ হেক্টর জমিতে এ বছর অটো, রুপভান ও কেয়ারা জাতের শিমের চাষাবাদ সম্প্রসারণ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগাম জাতের শিমে ভালো ফলনের জন্য রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার বিষয়ে কৃষকদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬০ পরিবার পেল সহায়তা

1

তরমুজ চাষে নুর উদ্দিনের সাফল্য

2

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে-তথ্

3

নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ

4

৫৫ লাখ পরিবার ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন

5

অনাবাদি থাকার শঙ্কায় সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জমি

6

বেহাল কোটি কোটি টাকার পলিনেট হাউস

7

শেরপুরে কালোবাজারে সার বিক্রির অপরাধে ২০ জনের নামে মামলা

8

মাসে ৩ লাখ গাছ বিক্রি করেন মেহেদী

9

রাষ্ট্রপতির সাথে রুয়েট ও শেকৃবি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

10

চুয়াডাঙ্গায় চাষ হচ্ছে ১৫ ধরনের বিদেশি ফল

11

দুধ উৎপাদন কমায় ক্ষতির মুখে খামারিরা

12

বরফ সংকটে সাগরে যেতে পারছে না মাছের ট্রলার

13

৫০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

14

৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি

15

৭০০ কলাগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

16

জলবায়ু-সহনশীল দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার আহ্বান স্পীকারের

17

১০ অঞ্চলে ঝড়ো বৃষ্টির সম্ভাবনা

18

কেআইবি ভবিষ্যতে সকল কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে

19

মুরগির মাংসে আন্তর্জাতিক সীমার বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল

20