ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতাঃ ঢাকার ধামরাইয়ে ইটভাটা ও অপরিকল্পিত শিল্পকারখানার গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি। এতে ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনাময়ী এই উপজেলার মাঠের পর মাঠ এখন গভীর পুকুরে পরিণত হয়েছে।
কৃষিজমি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চলত কৃষিনির্ভর আয়ের ওপর ধামরাই উপজেলা ১৬টি ইউনিয়ন,একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে এর জনসংখ্যা প্রায় ৬ লাখ। এ উপজেলার ভূখণ্ডের সিংহভাগই ছিল । শিল্পায়ন ও ইটভাটার আগ্রাসনে কৃষি সমৃদ্ধ এ উপজেলার চাষাবাদ সংকুচিত হয়ে আসছে।
জানা যায়,২০১৫-১৬ সালে উপজেলায় মোট কৃষিজমি ছিল ২৩ হাজার ৮০০ হেক্টর। ২০২০ সালে তা কমে হয় ২৩ হাজার ৫৬ হেক্টর এবং ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ২৬০ হেক্টরে। গত ৮ বছরে উপজেলার প্রায় ৫৪০ হেক্টর কৃষিজমি বিলুপ্ত হয়েছে।
আশংকাজনভাবে কৃষি জমি কমে যাওয়ার কারন হিসাবে এ উপজেলার ১৮০টি ইটভাটা এবং ছোট বড় ৩০০টির বেশি মিল-কারখানাকে দায়ী করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করায় জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। ফলে ফসল উৎপাদন হ্রাস পেয়ে আবাদী জমির পরিমাণ দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান জানান,কৃষিজমি রক্ষায় সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। আবাদী জমিতে ইটভাটা, কলকারখানা স্থাপন কিংবা অনিয়মিত পুকুর খনন বন্ধ করা জরুরি। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, তাই পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
কৃ/স/জয়