কৃষি সময় ডেস্কঃ
বাংলাদেশের কৃষকরা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সালতানাত অব ওমানে যাবার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। শর্তসাপেক্ষে কৃষি খাতের কাজে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ ওমানি কৃষি সমিতির বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কর্মীদের কেবল ‘কৃষক’ পেশায় নিয়োগের এই অনুমতি দিয়েছে ।
বুধবার (৫ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশি কৃষি শ্রমিকদের নিয়োগ সংক্রান্ত এই বিশেষ সুযোগটি শুধুমাত্র ওমানের আল ধাহিরাহ গভর্নরেটের (ইবরি, ধানক ও ইয়াঙ্কেল) আওতাধীন খামারগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশি কৃষি শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু কঠোর শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছে ওমানি প্রশাসন। শর্তগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
সমিতির সদস্যপদ: নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই ‘ওমানি কৃষি সমিতি’র আল ধাহিরাহ গভর্নরেট শাখার নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে।
ফি পরিশোধ: বার্ষিক সদস্যপদ ফি বাবদ ২৫ ওমানি রিয়াল প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার ৪৬ টাকা।
কাগজপত্র দাখিল: আবেদনের সময় কৃষি জমির মালিকানার দালিলিক প্রমাণ এবং মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
সরকারি অনুমতিপত্র: ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) থাকতে হবে।
কৃষি ক্যালেন্ডার ফর্ম: উৎপাদিত ফসল ও ব্যবহৃত কৃষি জমির সঠিক বিবরণ উল্লেখপূর্বক ২০২৬/২০২৭ মৌসুমের নির্ধারিত কৃষি ক্যালেন্ডার ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশি কৃষক নিয়োগের জন্য ওমানি নিয়োগকর্তাদের থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী রোববার। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২০ আগস্ট।
একটি ‘সানাদ’ অফিসের মালিক গণমাধ্যম-কে জানিয়েছেন, ওমানজুড়ে কৃষি সমিতির নিবন্ধিত সদস্যদের জন্য বিশেষভাবে ৫ হাজার বাংলাদেশি কৃষি শ্রমিকের একটি অনুমোদিত কোটা সংরক্ষিত রয়েছে।জলাবদ্ধ এলাকায় পলি নেট হাউসে চারা উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা।
কৃ/স/জয়