কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 27, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করা হচ্ছে

 স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত ও অত্যন্ত সন্তোষজনক সরকারি মজুত রয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের সরকারি গুদামগুলোতে চাল, গম ও ধান মিলিয়ে ফ্লোটিং মজুতসহ মোট ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে।

সাধারণত বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য মজুতের সর্বনিম্ন পরিমাণ ধরা হয় ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমান মজুত নিরাপদ সীমার চেয়ে প্রায় ১০ লাখ ২৪ হাজার টন বেশি, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ় থাকার প্রমাণ দেয়।

খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত সরকারি গুদামে বর্তমানে ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৬ মেট্রিক টন চাল এবং ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮৯ মেট্রিক টন গম মজুত রয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬০৫ মেট্রিক টন ধান মজুত রয়েছে। এছাড়া ফ্লোটিং চালের মজুত দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭৩৫ মেট্রিক টনে।

চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সর্বমোট ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯৮ মেট্রিক টন ধান, ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল এবং ৭৬ হাজার ৮১৪ মেট্রিক টন আতপ চাল রয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যে সর্বমোট ৫২৩ মেট্রিক টন গম সংগৃহীত হয়েছে।

এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ২৩ দিনে (১ জুলাই ২০২৬ থেকে ২৩ জুলাই ২০২৬) মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮শ’ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য দেশে আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে আমদানি করা হয়েছে ১১ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন। এরমধ্যে চাল ৭ লাখ ৮৩ হাজার টন ও গম ৩ লাখ ৮২ হাজার টন। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এরমধ্যে চাল ২ লাখ ৯৪ হাজার টন ও গম ১৫ হাজার ১৫০ টন। এই সময়ে খাদ্য সাহায্য হিসেবে কোনো আমদানির প্রয়োজন হয়নি।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত দপ্তরগুলো থেকে জানানো হয়, বাজারে খাদ্যদ্রব্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের সার্বিক সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ জামাল হোসেন জানান, খাদ্য নিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। সরকারি গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিতের পাশাপাশি আমরা তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও গুণগত মান বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আগে আমাদের মজুত কাপাসিটি ছিল ২৪ লাখ মেট্রিক টনের মত, যা বর্তমানে বেড়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এতদিন নিরাপদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হত ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। তবে বর্তমান সরকার বর্ধিত জনসংখ্যা এবং ‘সোশ্যাল সেফটি নেটওয়ার্ক’ বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রা  ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বরিশাল প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রকল্পে লুটপাট

1

মিরপুর চিড়িয়াখানা খাঁচা থেকে বের হওয়া সিংহ খাঁচায় ফিরল

2

আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত

3

খুলনায় খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

4

বড় বাজেট, কৃষির হিস্যা ছোট

5

আনছার আলীর আম যাচ্ছে বিশ্ববাজারে

6

ফসলে বরাদ্ধের সার মৎস্যচাষীর পুকুরে

7

পাবিপ্রবিতে পরিবেশ রক্ষার নতুন বার্তা

8

খুলনাঅঞ্চল থেকে ৪৮৮৬ কোটি টাকার রপ্তানী আয়

9

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

10

কেআইবি ভবিষ্যতে সকল কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে

11

নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ

12

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ১০০ কোটি টাকার ভর্তুকি

13

ভবদহে ডুবেছে মাছের ঘের

14

বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবা ছেলের

15

অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জিরো টলারেন্স নিশ্চিত করতে

16

মৎস্যবিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে ‘ইয়ং ফিশারিজ স্টুডে

17

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

18

পশ্চিমাঞ্চলে পাটের বাজার চাঙ্গা

19

বাগেরহাটে অসময়ে লাউ চাষে কৃষকদের ভাগ্য বদল

20