কৃষি সময়
প্রকাশ : Sep 7, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

উত্তরাঞ্চলে সবজি চাষাবাদে ব্যস্ত কৃষকরা

রংপুর সংবাদদাতাঃ 
উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় এখন শীতকালিন আগাম সবিজ চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। প্রতি বছর তারা এ চাষাবাদের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা আয় করে থাকেন। এখনকার উৎপাদিত সবজি সারা দেশের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।

উত্তরের বেশিরভাগ কৃষি জমিতে মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাকসহ শীতকালীন বিভিন্ন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। ক্ষেত পরিচর্যা, রোগবালাই দমন ও অধিক ফলনের আশায় দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা।

ইতোমধ্যে বাজারেও আসতে শুরু করেছে কিছু আগাম শীতকালীন সবজি। পাওয়া যাচ্ছে শিম ও বাঁধাকপি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বেশি লাভ ও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

উত্তরের আট জেলাÑ রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চলতি মৌসুমে ৩৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার টন আগাম শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উত্তরের জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে শীতকালীন সবজির চাষ হয়ে থাকে। বিশেষ করে রংপুর অঞ্চল দেশের অন্যতম সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত।

উত্তরে এখনো শীত না নামলেও মাঠে-মাঠে শুরু হয়েছে শীতকালীন সবজির চাষ। কেউ ব্যস্ত নতুন চারা রোপণে, কেউ ক্ষেত পরিচর্যায়। বাণিজ্যিকভাবেও ব্যাপক পরিসরে চাষ হচ্ছে এসব সবজি। ইতোমধ্যে সবুজে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। সারি সারি বিভিন্ন জাতের শাক-সবজিতে শোভা পাচ্ছে উত্তরের কৃষিজমি।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর এলাকার কৃষক জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। জমিতে বাঁধাকপি ও ধনেপাতা লাগিয়েছেন তিনি। গত বছরের তুলনায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে।   ইতোমধ্যে প্রতি মণ বাঁধাকপি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া প্রায় ১০ হাজার টাকার ধনেপাতা বিক্রি করেছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় ভালো দাম পেয়ে খুশি তিনি।

একই এলাকার আরেক কৃষক আয়নাল মিয়া জানান, তিনি স্বল্প সময়ে বাঁধাকপি, শিম, মূলা, লালশাক ও ধনেপাতার আবাদ করেছেন।
রংপুর বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কৃষকদের সবজি চাষে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকিতে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার বেড়েছে। এর ফলে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের মুনাফা বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাধ্যতামূলক অবসরে সচিব মিয়ান কৃষিতে রেখে গেছেন নিজস্ব বলয়

1

রূপচাঁদার ওজন ১.৭ কেজি

2

খুলনায় খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

3

‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু

4

১০ অঞ্চলে ঝড়ো বৃষ্টির সম্ভাবনা

5

১৫ বছর ধরে জলাবদ্ধ ৮শ’ বিঘা জমি

6

খাল খননে ফিরল কৃষির সুদিন

7

গোয়ালঘর থেকে ১৩২ বস্তা সার জব্দ

8

চুয়াডাঙ্গায় চাষ হচ্ছে ১৫ ধরনের বিদেশি ফল

9

হিমাগার সংকটে ধুকছে সৈয়দপুর শুটকি মোকাম

10

জলবায়ু-স্মার্ট কৃষিতে নেতৃত্বে বাংলাদেশ

11

তরুনদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অব্যবহৃত জলাশয় বন্টন করা হবে-প্

12

যমুনার চরাঞ্চলে সবুজের সমারোহ

13

কচুরিপানায় হুমকিতে নদীর প্রাণ ও মৎস্যসম্পদ

14

বিভেদের জেরে ব্রি’র মহাপরিচালকের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব

15

উপকূলীয় অঞ্চলে সহনশীলতা বাড়াতে জাতীয় পরামর্শ সভা

16

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ১০০ কোটি টাকার ভর্তুকি

17

উল্লাপাড়ায় বাড়ছে আখ চাষাবাদ

18

রাজশাহীতে ১ বছরে ২৩ হাজার গাছ নিধন

19

ভাসমান বেডে চাষাবাদ করে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা

20