বগুড়া প্রতিনিধিঃ খাল খনন শেষে উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। ওই টাকা বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় চারটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প থেকে ফেরত দেয়া হয়েছে।
গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলার নেপালতলী, নশিপুর, সোনারায় ও দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের ৩ হাজার ৬শ মিটার দীর্ঘ চারটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এর জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়- চার কোটি ৩১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।
গাবতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।
স্থানীয় জনগণ আশা করেন, খালগুলো পুনঃখননের ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। এছাড়া কৃষি জমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকটা কমে আসবে।
প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখননের পাশাপাশি দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় বাঁধাই, নিচু জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ স্থাপন, চলাচলের সুবিধার্থে কালভার্ট নির্মাণ এবং খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
গত ২০ এপ্রিল বাগবাড়ি-নশিপুর চৌকিরদহ খালের পুনঃখননের কাজ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে অন্য তিনটি খালের কাজও শুরু এবং ২৯ জুন পুনঃখননের কাজ শেষ হয়।
গাবতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি ব্যবহার, পরিবহণ ব্যয় ও অন্যান্য বৈধ বিল পরিশোধ করে প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে দুই কোটি ৫২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। ফলে এক কোটি ৭৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা অব্যয়িত থাকে। পরে সরকারি বিধি অনুসারে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
কৃ/স/জয়