গোপালগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
গোপালগঞ্জে মাছের ঘেরে পরিত্যক্ত,ফাঁকা স্থানে অসময়ের তরমুজ চাষাবাদ করা হচ্ছে। ঘেরে মাছ আর পাড়ে তরমুজ চাষ করে কৃষকরা এখন ভাল লাভবান হচ্ছেন। এতে ক্রমেই এ চাষাবাদের পরিধি বাড়ছে।
জেলা সদও,টুঙ্গিপাড়া,কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন এই চাষাবাদ ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানকার ছোট পুকুর থেকে মাছের বড় ঘেরের দিকে তাকালেই এই চাষাবাদ দেখা যাচ্ছে। কয়েক বছর আগে ঘেরের পাশের অনাবাদি জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন গোপালগঞ্জের অল্প কয়েকজন কৃষক। তাদের সফলতা দেখে ধীরে ধীরে বাড়ছে তরমুজ চাষ করা কৃষকের সংখ্যা। অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে এখন বাড়তি আয় করছেন কৃষকরা।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অন্তত অর্ধ শতাধিক কৃষক এবার ব্ল্যাক সুইট, বেঙ্গল টাইগার ও সোনিয়া জাতের তরমুজ চাষ করছেন।
চাষীরা বলছেন,অসময়ের তরমুজ রসালো ও মিষ্টি। খেতেও সুস্বাদু। বাজারে এর চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়। ফলে কম সময়ে ভালো ফলন পেয়ে তারা লাভবান হচ্ছেন।
তরমুজ চাষি দিলীপ বিশ্বাস জানান, আগে তাদের ঘেরের পাশের জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়ে সেখানে তরমুজ চাষ শুরু করেন। এ বছরও ফলন ভালো হয়েছে। ভালো দামে তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তিনি।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মামুনুর রহমান জানান, আগে কৃষকেরা ঘেরপাড়ে শুধু শাকসবজি চাষ করতেন। এখন তরমুজ চাষ করে তারা তুলনামূলক বেশি লাভবান হচ্ছেন। ফলে ঘেরপাড়ের অনাবাদি জমি কাজে লাগানোর পাশাপাশি কৃষকের আয়ও বাড়ছে।
কৃ/স/জয়