কুড়িগ্রাম সংবাদদাতাঃ
উৎপাদন খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় কুড়িগ্রামে দিন দিন বাড়ছে দেশীয় পাটের বীজ উৎপাদন। ভাল মানের এ পাটবীজ উৎপাদন করে বিক্রি সহ নিজেদের চাহিদা মেটাচ্ছেন চাষীরা।
কুড়িগ্রামে বিপুল পরিমাণ জমিতে পাটে চাষাবাদ হয়েছে। ফলনও হয়েছে বেশ ভাল। এখনো ব্যস্ত কৃষরা পাট জাগ দেয়া ধোয়ার কাজে। শুধু পাট উৎপাদনই নয়। সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠ থেকে সংগ্রহ করা দেশীয় পাটের গাছ বীজসহ রোদে শুকাচ্ছেন কৃষকরা। কেউ আবার গাছ মাড়াই করে আলাদা করছেন বীজ। ভালোভাবে শুকানোর পর বীজ পরিষ্কার, সংরক্ষণ ও প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করবেন তারা। এতে তারা অনেক বেশি লাভবানের আশা করছেন।
কাঠালবাড়ী এলাকার কৃষক কৃষ্ণ কুমার বলেন, ধান বা অন্য ফসলের মতো পাটের বীজ উৎপাদনে বেশি খরচ হয় না। সময়মতো বীজ সংগ্রহ করে ভালোভাবে শুকাতে পারলে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে লাভও ভালো হয়।
কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল কাদের দীর্ঘদিন ধরে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি দেশীয় পাটের বীজ উৎপাদন করছেন। তিনি জানান,চাহিদা মিটিয়ে বাড়তির বীজ বিক্রি করে ভালো আয় করা যায়। তাই প্রতিবছরই আবাদ বাড়াচ্ছি। দেখা যাচ্ছে ১০ হাজার টাকা খরচ করলে ৩০ হাজার টাকার বীজ বিক্রি করা সম্ভব।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১৬ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে দেশীয় পাট চাষ করা হয়েছে। এসব জমি থেকে বীজ উৎপাদন হবে।
কৃ/স/জয়