কৃষি সময়
প্রকাশ : Aug 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আদিবাসী নারীরা কৃষি উদ্যোক্তা হতে যাচ্ছেন

জয়পুরহাট সংবাদদাতাঃ 
মাঠের শ্রমিক থেকে আদিবাসী নারীদে উদ্যোক্তা হিসাবে তৈরি করা হচ্ছে। স্ট্রবেরি চাষের মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে তাদের জীবনের গল্প। এখন তারা চাষাবাদের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পণ্য তৈরি ও সরাসরি বাজারজাতের সুযোগ পাচ্ছেন তারা। জয়পুরহাটে আদিবাসী নারীদের এভাবে বদলে দিতে কাজ করছেন গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডাহুক বাংলাদেশ।

সমবায় ও ই-কমার্সের মাধ্যমে তাদের জন্য তৈরি হচ্ছে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর নতুন পথও।

জানা যায়, এ জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিকভাবে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে স্ট্রবেরি চাষ। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নারীদের করা হবে নিরাপদ স্ট্রবেরি চাষে যুক্ত। এখানে উৎপাদিত স্ট্রবেরি দিয়ে বিভিন্ন মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যাতে কৃষিচর্চার সঙ্গে আধুনিক কৃষিবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বাজারের চাহিদার সমন্বয় করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষিশ্রমিক হিসেবে সীমিত আয়ের মধ্যে থাকা মানুষকে উৎপাদক ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও তাদের প্রতিবেশী বাঙালি কৃষকরা যৌথভাবে কৃষি, ব্যবসা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।

প্রকল্পটির অন্যতম দিক হলো অংশগ্রহণমূলক ও সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা।

এ জন্য গড়ে তোলা হচ্ছে আঞ্চলিক সংযোগ কেন্দ্র। ডাহুকের উদ্যোগ ও অর্থায়নে প্রস্তাবিত এই কমিউনিটি স্পেস আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক পরিসরের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণে একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও চলছে। এর মাধ্যমে জয়পুরহাটের আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও বিভিন্ন সেবা সরাসরি বাজারজাত করতে পারবেন। এতে বিকল্প বাজারে প্রবেশের পাশাপাশি উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে।

প্রকল্প পরিচালক ও গবেষক মাগফি রেজা সিদ্দিক বলেছেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাদের প্রজন্মান্তরে অর্জিত কৃষিজ্ঞান ও নিরাপদ কৃষিচর্চাকে মূল্যসংযোজিত কৃষিপণ্যের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা সম্ভব। এই প্রকল্প উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে কাজ করবে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতীয় ফলমেলায় শৈশবের স্বাদ খুঁজছেন দর্শনার্থীরা

1

আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত

2

৭ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা মামলা দায়ের

3

গারো পাহাড়ে লটকন চাষে নতুন সম্ভাবনা

4

জেলি মিশিয়ে দুধ তৈরিঃ ৩ লাখ টাকা জরিমানা

5

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা

6

৮ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

7

শিবির থেকে ৯ নেতার বিদায়

8

ছোট ফেনী নদীর ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

9

আরডিএর ৫ বছর মেয়াদী বৃক্ষরোপণ

10

পটিয়ায় ভেসে গেছে ১৪শ’পুকুরের মাছ

11

ক্যাডেটরা গভীর সমুদ্রের অকুতোভয় কাণ্ডারী হতে চলছে : মৎস্য ও

12

ভেড়া পালনে আশিকের সাফল্য

13

দেশে খাদ্য মজুত ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করা হচ্ছে

14

হিলিতে শুকনো মরিচের দাম বেড়েছে

15

মুরগির মাংসে আন্তর্জাতিক সীমার বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল

16

মাগুরায় কৃষকের কলাগাছ কেটেছে দৃর্বৃত্তরা

17

দাউদকান্দিতে ১৮ কর্মকর্তা দিয়ে চলছে ৪৬ কৃষি ব্লক

18

অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমাতে জানুয়ারিতে সচেতনামূলক কর্মসূ

19

এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল

20