নারায়নগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধের ভেতরের খালে বর্জ্য ফেলে প্রায় ভরাট হবার উপক্রম। এমন অবস্থায় খাল নিষ্কাসনের পাম্পেও যাচ্ছে না পানি। এতে বিভিন্ন মহল্লায় জলাবদ্ধতায় সৃষ্টি হয়েছে নাগরিক দুর্ভোগ।
ডিএনডি বাঁধের ভেতরের হিরাঝিল পাইনাদি নতুন মহল্লা ও ধনুহাজী এলাকায় প্রধান পানি নিষ্কাশন খালে এখন ময়লা আবর্জনা জমাট আছে। ডিএনডি প্রজেক্টের শিমরাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেচ পাম্প হাউজ থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ খালজুড়ে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ময়লা আবর্জনা এমনভাবে ভরে আছে যে এই খালটি চেনা যাচ্ছে না। এই খালের দেড় কিলোমিটার এলাকায় দুপাশে রয়েছে অন্তত ৮টি বাজার। সেগুলো থেকে খালে পলিথিনসহ বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্য ফেলা হয়।
নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজিপুল থেকে আব্দুল আলীরপুল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কংস নদীও ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে আছে। সেখানেও পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে দীর্ঘদিন। এটি দিয়ে ডিএনডির প্রধান নিষ্কাশন খালে পানি যাওয়ার কথা। কিন্তু নির্বিচারে খালে ময়লা-আর্বজনা ফেলায় খালটি এখন ভরাট হবার উপক্রম। ফলে নিষ্কাশন পাম্পে পানি যাচ্ছে না।
এমন অবস্থায় ভারী বৃষ্টিপাত হলে ডিএনডি বাঁধের ভেতরের সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী পশ্চিমপাড়া, উত্তরপাড়া, কাশেপাড়া, জালকুড়ি মধ্যপাড়া, উত্তরপাড়া, পশ্চিমপাড়া, পাঠানটুলী, তুষারধারা, গিরিধারা, লামাপাড়া, মিজমিজি দক্ষিণপাড়া, সিআইখোলা, হাজীনগর, আদর্শনগরসহ নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে যায়।
হিরাঝিলের বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অবস্থা দেখে মনে হয় না এটা খাল। ঝোপঝাড় মনে হয়। সেচ পাম্প হাউজের কাছে পানি ঠিকমতো যেতে পারছে না।
ঢাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিএনডির সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবে মাওলা মো. মেহেদী হাসান বলেন, নিয়মিত ডিএনডি থেকে পানি সেচ করে শীতলক্ষ্যা ফেলা হচ্ছে। তবে খালে ময়লা আবর্জনা থাকলে পানি সেচ পাম্পে আসতে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আমরা কয়েকবার খাল পরিষ্কার করেছি।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ডিএনডি বাধের মধ্যে আমাদের সিটি করপোরেশনের যতগুলো খালে আবর্জনা রয়েছে সব পরিষ্কার করা হবে। যেখানে খনন করা দরকার আমরা তা করব।
কৃ/স/জয়