সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় শুরু হয়েছে আগাম জাতের রোপা আমন ধানকাটা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের বাল ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৬ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৩৬৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। প্রতিটি উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সোনালি ধানের শিষগুলো বাতাসে দুলছে, যা কৃষকদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ইতোমধ্যে ধান কেটে অনেক কৃষক ঘরে তুলেছেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে ধানকাটা মাড়াই কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। চাষাবাদের শুরু থেকে তেমন কোন দুর্যোগ না থাকায় অন্য বছরের তুলনায় ধানের ভাল ফলন হয়েছে। কৃষকরা আশা করছেন বাজারে ধানের দান ঠিক থাকলে তারা লাভবান হতে পারবেন।
উল্লাপাড়া উপজেলার মাছুয়াকান্দি এলাকার চাষী সোহেল ফকির জানান,দেড় বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। ইতোমধ্যে এক বিঘা জমির ধান কেটে ভাল ফলন পেয়েছি। তবে এবার সার,বীজ এবং শ্রমিক মজুরী বেশি পড়েছে। বাজারে ধানের চড়া দাম না পেলে লাভবান হতে পারবেন না বলে জানান।
মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগাম জাতের ধান ঘরে তোলার পর অনেকেই এই জমিগুলোতে পরবর্তী সময়ে আগাম সরিষা চাষের পরিকল্পনা করছেন, যা তাঁদের দ্বিগুণ আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন,অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে ধান কাটা ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেজন্য মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কৃ/স/জয়