কৃষি সময়
প্রকাশ : Oct 30, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কানসাটে আম বিক্রি চলছেই

চাপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতাঃ 
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম চাপাইনবাবগঞ্জের কানসাট আমবাজারে এখনো আম কেনা বেচা হচ্ছে। এই বাজার এখন বারোমাসি বাজারে পরিণত হচ্ছে। প্রতিবছর অতিরিক্ত সেপ্টেম্বর মাসেই আমেরবাজার শেষ হয়ে যায়। এবার অক্টোবর শেষের দিকেও রীতিমত আমের বাজার বসছে এবং আম কেনাবেচা হচ্ছে। কৌশলী চাষীদের নানা জাতের আম চাষাবাদের কারনে বাজারে পর্যায়ক্রমে আসছে আম। এতে সচল থাকছে এই বাজার। 

কানসাট আম বাজারে অন্য বছর এসম থাকতো শুনশান নিরবতা। কিন্তু সেই বাজার এখনও সরগরম। বাজারে চাষীরা অল্প অল্প করে নানা জাতের নাবি আম নিয়ে আসছেন। এই আম কিনতে আসছেন ব্যাপারীরাও। তাদের পদচারনায় স্বাভাবিক মৌসুমের মতই ভরপুর থাকছে পুরো এলাকা। হাক ডাকে মুখর এই বাজার। 

বাজারে আম বিক্রি করতে আসা ভবানীপুর গ্রামের চাষী আব্দুল কারিম জানান, আমি  ১০ ক্যারেট অর্থাৎ পাঁচমণ আশ্বিনা আম নিয়ে এসেছি। দাম চেযেছি ১০ হাজার ৫০০ টাকা মণ। ক্রেতা ৯ হাজার টাকা বলেছে। মণপ্রতি  ১০ হাজার টাকার নীচে বিক্রী করবো না। আমার বাগানে আরো  ৩০ ক্যারেট আশ্বিনা আম আছে। যা কমপক্ষে ১৫দিন থাকবে। তিনি আরো বলেন, আমার বাগানে বছরে তিনবার আশ্বিনা আম আসে। এই আম বিক্রি করে আমি যে টাকা পাচ্ছি তা মৌসুমে পাই না। তাই কৌশল করে এই আাম চাষাবাদ করেছি। এর মাধ্যমে আমি অনেক টাকা আয় করতে পারছি। 

আমচাষীর বলছে এখন বারোমাসই আম কেনা বেচা হবে। কারণ এখন বারোমাসই আমের চাষ হচ্ছে বছরে কম পক্ষে তিনবার আম ধরছে। ফলে এখন বারোমাসই কানসাট বাজারে আম কেনাবেচা হচ্ছে। বর্তমানে ও কানসাট আমবাজারে আম কেনাবেচা হচ্ছে এবং আম বিক্রেতার সবোর্চ্চ দাম পাচ্ছেন । 

বাজারে আম বিক্রি করতে আসা গোমস্তাপুরের চাষী আকবর আলী জানান,হিমসাগর ও কল্যাণভোগের সাত ক্যারেট আম নিয়ে এসেছি। ২০ হাজার টাকা মন দাম চাচ্ছি। ক্রেতা ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বলেছে। ১৮ হাজারের নিচে আমি আম বিক্রি করবো না। আমার বাগানে আরো ৩০ ক্যারেট অর্থাৎ ১‘৫মণ আম আছে। যা আরো একমাস থাকবে। এগুলো বিক্রি করে বেশ অনেক টাকা লাভ হবে। তিনি উল্লেখ করেন তার ১৬ বিঘা আম বাগানে নানা জাতের আম রয়েছে। যেগুলো মৌসুম ছাড়াও আসছে। এবং তা বাজারে বিক্রি করে বছরে কয়েক লাখ টাকা লাভ করছেন তিনি। 

এই চাষীর মতো চাপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর অনেক চাষী এখন বারো মাসি সহ নানা জাতের আম চাষাবাদ করছেন। অসময়ে এসব আম বাজারে বিক্রি করে তারা বিপুল পরিমাণ টাকা আয় করছেন। তাদের উৎপাদিত আম বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে। এর মাধ্যমে যেমন বৈদাশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। তেমনি চাষীরাও আম বিক্রি করে এখানকার গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন। 

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’

1

ভবদহে জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

2

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

3

ওডিস চাকমার মাশরুম বীজ যাচ্ছে সারা দেশে

4

খাঁচায় মাছ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছে চাষীরা

5

পেঁপের কম দামে লোকসানে কৃষক

6

পান চাষে সাড়া ফেলেছে কৃষক রবিউল

7

সাপের কামড়ে ১৩ জন হাসপাতালে

8

চলনবিলে শামুক-ঝিনুক নিধন, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য

9

নদী দখলের মহোৎসবে

10

সার ছোলা ও রাইস ব্র্যান তেল কিনবে সরকার

11

বৈদ্যেরবাজারে দেশি মাছের জমজমাট কেনাবেচা

12

জিংকসমৃদ্ধ বিনাধান–২০ চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন

13

দেশের তিন পাটকল আবার চালু হচ্ছে

14

বৃষ্টি না থাকায় ফসল বাঁচাতে সেচেই ভরসা

15

খুলনাঅঞ্চল থেকে ৪৮৮৬ কোটি টাকার রপ্তানী আয়

16

আশরাফুলের এক শসা ৫ কেজি

17

মধুপুরের বনভূমি পরিণত হচ্ছে বাণিজ্যিক বাগানে

18

চার চারা থেকে প্যাশন ফলের বাগান

19

সবজি-সালাদে মানবদেহের ক্ষতিকর কীটনাশকের উপস্থিতি

20