কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 24, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় ১৬ হাজার ৪৬৪ হেক্টর আমন বীজতলা

খুলনা প্রতিনিধিঃ খুলনা অঞ্চলে চলতি মৌসুমে পর্যাপ্ত চারা সরবরাহ করতে ১৬ হাজার ৪শ’৬৪ হেক্টর জমিতে আমন ধানের বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএইডিএই)।

ইতিমধ্যে খুলনা কৃষি অঞ্চলের চারটি জেলার কৃষকরা আমন বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করেছেন; অনুকূল আবহাওয়ায় আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এই কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রকার এই মৌসুমে এ অঞ্চলে ২লাখ ৮৯ হাজার ৮৫৯ হেক্টর জমি থেকে ৮ লাখ ৭১ হাজার ৯৭১ টন আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এই উৎপাদন লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৪৪২ হেক্টর জমি থেকে ৬ লাখ ৭০ হাজার ৬৪ টন উচ্চফলনশীল আমন, ৩০ হাজার ২১৬ হেক্টর থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৬১ টন হাইব্রিড আমন এবং ৩৯ হাজার ২০১ হেক্টর থেকে ৮৬ হাজার ২৪৬ টন স্থানীয় জাতের আমন।

এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে উচ্চফলনশীল আমন জাতের জন্য ১২ হাজার ৩৪০ হেক্টর, হাইব্রিড জাতের জন্য ১ হাজার ৫১০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের জন্য ২ হাজার ৬১৪ হেক্টর জমি।

গত মৌসুমে কৃষকরা এ অঞ্চলে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬শ’৩৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করে ৮ লাখ ৭১ হাজার ৯শ’৪০ টন আমন চাল উৎপাদন করেছিলেন।

বীজতলা তৈরি ও চলমান আমন চাষ মৌসুমে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার খুলনা কৃষি অঞ্চলের (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা  নড়াইল জেলা নিয়ে গঠিত) ৪৪ হাজার কৃষকের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন ধানের বীজ বিতরণ করেছে।

ডিএই-এর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে এই বীজ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এর ফলে খুলনার ১৫ হাজার, বাগেরহাটের ৮ হাজার, সাতক্ষীরার ১৫ হাজার এবং নড়াইলের ৬ হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

ডিএই-এর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২২ জুলাই পর্যন্ত ৫ হাজার ৮শ’৫২ হেক্টর জমিতে আমন বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসা সত্ত্বেও আমন উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সুষম সার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধকরণ, উন্নত কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনা হিসেবে উন্নত মানের বীজ ও সার সরবরাহ। বন্যা বা জলাবদ্ধতার সময় চারার সংকট এড়াতে ডিএই উঁচু জমিতে নাবি জাতের আমনের বীজতলা এবং নিচু এলাকায় ভাসমান বীজতলা তৈরির ব্যবস্থাও করছে। এছাড়া, বৃষ্টিপাত অপর্যাপ্ত হলে বা খরা পরিস্থিতি দেখা দিলে সময়মতো চারা রোপণের সুবিধার্থে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) পুরো অঞ্চলে সেচ পাম্পগুলো প্রস্তুত রাখবে। 

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চিরচেনা সাদা ভাতের পাতে উঠবে ব্ল্যাক রাইস

1

মহিষের খামারে মহসীনের ভাগ্য বদল

2

সরকারি হচ্ছে কাজিপুরে আফজাল হোসেন মেমোরিয়াল কলেজ

3

সুন্দরবনে শালপাতা মাছসহ ৬ জেলে আটক

4

কৃষকের ৬০ শতক জমির কাঁকরোলগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্ত

5

কংক্রিটের নগরে সবুজের কারিগর রকিবুল আমিনের গল্প

6

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নে ১৭ সদস্যের কমিট

7

কাউনিয়ায় আখের ভাল ফলনে কৃষক খুশি

8

ছোট ফেনী নদীর ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

9

কেঁচো সারে ভাগ্য বদল

10

হিমাগার সংকটে ধুকছে সৈয়দপুর শুটকি মোকাম

11

কৃষকের সবজিগাছ কেটে দিলো দুর্বৃত্তরা

12

বরিশালে মৎস্য কেন্দ্র তিন দশক ধরে অচল

13

আধুনিক কসাইখানা হলে মাংস রপ্তানি বাড়বে

14

নার্সারির গ্রাম বাসুদেবপুর

15

ইউজিসিতে নতুন তিন সদস্য

16

ময়মনসিংহে সেচ সহায়ক সরঞ্জামাদি বিতরণের উদ্বোধন

17

খাল খনন না হওয়ায় ফেরত গেল ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা

18

মোটরযানে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা বিআরটিএর

19

চলনবিলের বির্স্তীর্ণ জলাভূমি কচুরিপানার দখলে

20