মানিকগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচে মৌসুম শেষে প্রায় লাখ টাকার আখ বিক্রি করছেন মানিকগঞ্জের কৃষকেরা। অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দ্রুত এ জেলায় আখ চাষের পরিধি বাড়ছে।
মানিকগঞ্জে একসময় যেসব জমিতে শুধু ধান ও পাট চাষ হতো, এখন সেখানে শোভা পাচ্ছে আখসহ বিভিন্ন মূল্যবান ফসল। মাঠজুড়ে সারি সারি মিষ্টি আখের প্রাচুর্য। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচে মৌসুম শেষে প্রায় এক লাখ টাকার আখ বিক্রি করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ফলে স্বাদ ও মিষ্টতার জন্য পরিচিত এই ফসলটিই এখন তাদের প্রধান অর্থনৈতিক ভরসা হয়ে উঠেছে।
মানিকগঞ্জ একসময় যেসব জমিতে শুধু ধান ও পাট চাষ হতো, এখন সেখানে শোভা পাচ্ছে আখ। বিভিন্ন উপজেলার মাঠজুড়ে সারি সারি মিষ্টি আখের প্রাচুর্য। সদর উপজেলার রমনপুর ও পাথরাইল গ্রামের বিস্তীর্ণ আখের খেত বাসাতে দোল খাচ্ছে।
এসব এলাকায় ঈশ্বরদী, বোম্বাই, রংবিলাস, ধলি ও মিস্রিমালাসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের আখ চাষ হচ্ছে। ভালো ফলন, কম রোগবালাই এবং চমৎকার স্বাদের কারণে বাজারে এসব আখের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকারেরা মাঠ থেকেই সরাসরি আখ কিনে নিচ্ছেন। ফলে চাষীদের আখ বিক্রি করতে কষ্ট করে দুওে যেতে হচ্ছে না। দামও পাচ্ছেন চড়া।
আশ্বিন মাসে জমিতে আখের চারা রোপণ করা হয় এবং ভাদ্র মাসে ফসল কাটা শুরু হয়। এখানকার সচেতন চাষীরা আখের সাথী ফসল হিসেবে একই জমিতে মুলা, গাজর, ধনেপাতা, লালশাক ও তামাক চাষ করছেন। এতে মূল ফসলের পাশাপাশি বাড়তি আয় করছেন।
চলতি মৌসুমে বাজারে ভাল দামে বিক্রি হচ্ছে আখ। কৃষকের পাশাপাশি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরাও।
জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে মানিকগঞ্জের ৫২৪ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলা, সিংগাইর ও সাটুরিয়ায় চাষ সবচেয়ে বেশি।
কৃ/স/জয়