নওগাঁ সংবাদদাতাঃ
হাঁস পালনে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন নওগাঁ সদও উপজেলার উদ্যোক্তা শাহিন। অল্প দিনে তিনি হাঁসের খামার করে এখন প্রতিদিন প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা আয় করছেন। যার মাধ্যমে তিনি শুণ্য থেকে নিজের বেকারত্ব ঘুচিয়ে নিজের সংসারে সচ্ছলতা নেছেন। তিনি উপজেলার গয়েরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়,ফেসবুক,ইউটিউব দেখে ৪ মাস আগে হাঁসের খামার করার সিদ্ধান্ত নেন এই উদ্যোক্তা। তিনি ৩শ’টাকা পিছ ৬মাস বয়সি ৭শ’হাঁস কিনে উন্মুক্ত জলাশয়ে পালন শুরু করেন। এতে তার বিনিয়োগ হয় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
সারাদিন বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে হাঁসগুলো চড়ে বেড়ায়। বিলে তারা শামুক, মাছ, পোকা-মাকড় ইত্যাদি খেয়ে থাকে। রাতে খামারে ধান ও হাঁসের ফিড খাওয়ানো হয়।
এই খামারে এখন প্রতিদিন পাঁচ শ’হাঁস ডিম দিচ্ছে। যা ১৫ টাকা পিছ হিসাবে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়। আর খামারে প্রতিদিন শ্রমিক সহ খাবার খরচ বাদেও লাভ হচ্ছে ৫ হাজার ৪শ’ টাকা।
হাঁস খামারের উদ্যোক্তা শাহিন জানান,এখন এই খামারটি আমার ভাগ্য ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন ভাল টাকা আয় করছি। নিজের সংসারের অভাব দুর করে সঞ্চয় করছি। আগামীতে খামারটি বড় করার চিন্তা আছে। আমি বলতে চাই কেউ বেকার বসে না থেকে সাহস করে শুরু করুন। এক সময় আপনিও সফল হবেন।
নওগাঁ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জহুরুল ইসলাম জানান, বিলে উন্মুক্ত জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে পর্যাপ্ত খাদ্য পাওয়া যায়। হাঁসের প্রচুর খাদ্যের প্রয়োজন হয়। উন্মুক্ত জলাশয়ে যেহেতু পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের সংস্থান হয় সেহেতু এই পদ্ধতিতে হাঁস পালনে খরচ কম হয় এবং সেই কারণে লাভজনক। এছাড়াও হাঁসে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি থাকে। মুরগির তুলনায় অপ্রচলিত হলেও হাঁসের মাংস ও ডিমের চাহিদা পর্যাপ্ত।
কৃ/স/জয়