কৃষি সময়
প্রকাশ : Oct 10, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

সুপারির বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

কঙ্বাজার সংবাদদাতাঃ 
কঙ্বাজারের টেকনাফ উপজেরায় এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া ভাল থাকায় গাছে গাছে প্রচুর সুপারি ধরেছে। যা বিক্রি করে বাগান মালিকরা এবার চড়া দাম পাচ্ছেন। 

কৃষি বিভাগ চলতি মৌসুমে টেকনাফে ১১ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন সুপারি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। গত মৌসুমে ১ হাজার ২৮০ হেক্টর বাগান থেকে প্রায় ১০ হাজার ২৪০ মেট্রিক টন সুপারি উৎপাদন হয়। এবার উৎপাদন বাড়ায় কৃষকদের আয়ও বাড়বে বলে আশা করছেন সুপারি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, টেকনাফে বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে বেশি সুপারি চাষ হয় সাবরাং ইউনিয়নে। এ ইউনিয়নে ৩৭০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। এ ছাড়া বাহারছড়া ইউনিয়নে ৩৬০ হেক্টর, টেকনাফ সদর ইউনিয়নে ৩৫০ হেক্টর, হ্নীলা ইউনিয়নে ৪০ হেক্টর, হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর এবং প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে ১০ হেক্টর জমিতে সুপারি চাষ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে।

টেকনাফে উৎপাদিত সুপারি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, এখানকার সুপারি বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। ফলে সুপারি চাষকে কেন্দ্র করে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অফ সিজনে সংরক্ষিত সুপারি তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি করা যায়। ভরা মৌসুমে কিছু ব্যবসায়ী সুপারি কিনে বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে রাখেন। পরে বর্ষা মৌসুমসহ অফ সিজনে তা বেশি দামে বিক্রি করেন। স্থানীয় অনেক কৃষক ও ব্যবসায়ী সুপারি সংরক্ষণ করে বাড়তি আয় করছেন বলে জানা গেছে।

কৃষকরা জানান, সাধারণত মে-জুন মাসে সুপারি গাছে আসে এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সুপারি পরিপক্ব হয়। পরিপক্ব হওয়ার পর গাছ থেকে সুপারি সংগ্রহ করে কেউ বাজারে বিক্রি করেন, আবার কেউ বিশেষ পদ্ধতিতে বাড়িতে সংরক্ষণ করেন। স্থানীয়ভাবে সংরক্ষিত সুপারিকে ‘ভিজা সুপারি’ বলা হয়।

টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কৃষকদের নিয়মিত যোগাযোগ এবং পরামর্শের কারণে সুপারির ফলন বেড়েছে। ফলন বাড়াতে সার ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই সম্পর্কে কৃষকদের মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও সুপারির উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকরা যাতে উৎপাদিত সুপারি ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়েও কৃষি বিভাগ কাজ করবে।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঝড়ো হাওয়ায় লন্ডভন্ড শুঁটকি মহাল

1

দুই-এক দিনের ভিতরে সার সমস্যার ঠিক হয়ে যাবে- কৃষিমন্ত্রী

2

দিনাজপুরে এক হাটে প্রতিদিন কোটি টাকার আম বিক্রি

3

ইউজিসিতে নতুন তিন সদস্য

4

১০ লাখ পরিবারের জরুরি কৃষি সহায়তা প্রয়োজন: এফএও

5

নওগাঁয় বেশি মূল্যে সার বিক্রি করায় জরিমানা

6

সখের প্রাণী খামারে আবিদের বাগ্য বদল

7

কৃষি সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন রফিকুল ই মোহামেদ

8

সারাদেশে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

9

ইউএনওর কার্যালয় এখন পাখিদের আবাসস্থল

10

দুধ উৎপাদন কমায় ক্ষতির মুখে খামারিরা

11

খাল খননে ফিরল কৃষির সুদিন

12

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে গরু পালন বাড়ছে

13

মরিচের চারায় সবুজ হচ্ছে যমুনার চর

14

বৃক্ষরোপণের বড় চ্যালেঞ্জ পরিচর্যা নিশ্চিত করা : তথ্যমন্ত্রী

15

ফরিদপুরে সবেদা চাষে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

16

জেলি মিশ্রিত চিংড়ি বিক্রি ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

17

বৃষ্টির মতো উপর থেকে ফসলি জমিতে সেচ পদ্ধতি বিএডিসির

18

৪১০টি পেঁপে গাছ কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা

19

ফসল রক্ষা বাঁধের দুই হাজার ব্লক লুট

20