কৃষি সময়
প্রকাশ : Sep 23, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ফসল আর সবজি চাষে লাভবান কৃষকেরা

জয়পুরহাট সংবাদদাতাঃ 
জয়পুরহাটের কৃষকরা এখন আধুনিক চাষাবাদে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু ফসল চাষাবাদই নয়। এর পাশাপাশি তারা উঁচু,পতিত জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষাবাদ করে এখন বাড়তি আয় করছেন। যা দিয়ে নিজেদেও পরিবারের চাহিদু পূরণ সহ চাষাবাদের খরচ যোগাচ্ছেন। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ক্ষেতলালে ১৩০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ হেক্টর জমিতে করোলার চাষ হয়েছে। বাকি জমিতে পটল, বেগুন, চিচিঙ্গা, লাউ, শসাসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর গ্রীষ্মকালীন সবজির আবাদ বেড়েছে।

উপজেলার মনঝার আমলাগাড়ি, আটিগ্রাম, বাখেরা, তেলাল কুশুমশহর, বেলগাড়ি, কৃষ্ণনগর ও জামুহালিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কোথাও ধানের খেতে কৃষকের ব্যস্ততা, আবার একটু উঁচু জমিতে বাঁশ ও জালের মাচায় ছড়িয়ে পড়েছে করোলার লতাগাছ। মাচা থেকে ঝুলছে করোলা। কেউ ফলন সংগ্রহ করছেন, কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন।

কয়েক বছর আগেও ফসল চাষাবাদের বাইরে এসব এলাকার চাষীরা তেমন কিছুই করতো না। উঁচু জমিগুলো বেশিরভাগ পতিত থাকতো। কিন্তু এখন কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি বিষে জ্ঞান লাভ করায় চাষীরা এসব জমিতে উচ্চ মূল্যেও নানা সবজি চাষাবাদ করছেন। 

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানান যায়,ধান তাঁদের প্রধান ফসল হলেও উঁচু জমিতে সবজি চাষ বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। ধান চাষে ফলন পেতে কয়েক মাস সময় লাগে। অন্যদিকে করোলাসহ বিভিন্ন সবজি তুলনামূলক কম সময়ে বিক্রি শুরু করা যায়। এ কারণে যেসব জমি সবজি চাষের উপযোগী, সেখানে ধানের পাশাপাশি সবজি চাষ করে বাড়তি আয়ের চেষ্টা করছেন তাঁরা। 

আমলাগাড়ি মাঠের কৃষক আব্দুস সোবাহান জানান,এক বিঘা জমিতে করোলা চাষ করেছেন। তিনি বলেন, বীজ, মাচা তৈরি, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার করোলা বিক্রি করেছি। আরও প্রায় ৩০ হাজার টাকার করোলা বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।

ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি অফিসের উপ সহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি চাষে কৃষকেরা ভালো লাভ করতে পারেন। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে কৃষি বিভাগ সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। মালচিং পদ্ধতিতে ফসল চাষ করলে সার ও সেচের ব্যবহার কমে। রোগবালাইও তুলনামূলক কম হয় এবং ফসলের বৃদ্ধি ভালো হয়। কৃষকেরা যাতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে ভালো ফলন পান, সে বিষয়ে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৮ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

1

সার উৎপাদনে ফিরেছে সিইউএফএল

2

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা

3

আমন চাষ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ৫ শ’ কৃষক

4

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট

5

৩০ অবৈধ কয়লা তৈরির চুল্লি ধ্বংস

6

বিএডিসিতে মহান বিজয় দিবস পালন

7

কক্সবাজারে বন্যা পাহাড় ধ্বসে মৃত ২৫ঃ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষি জমি

8

কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ শুরু

9

হাওরের ধান যথাসময়ে কাটতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : কৃষ

10

ফরিদপুরে ৫শ’কোটির পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন

11

খানসামার ব্যস্ত সময় পার করছে আমন চাষিরা

12

ট্রান্সফরমার চুরিতে বিপাকে কৃষক

13

রফতানিমুখী বাণিজ্যিক কৃষি : উন্নয়ন এবং চ্যালেঞ্জ

14

মেঘনায় ধরা পড়ছে বড় বড় পাঙাশ

15

এয়ার ফ্লো মেশিন বন্ধে পচছে পেঁয়াজ

16

দেশে সারের কোন ঘাটতি নেইঃ কৃষি মন্ত্রী

17

সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা

18

সৌদি খেজুর চাষে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

19

রাবির বৃত্তি তহবিলে ভূমিমন্ত্রীর ১০ লাখ টাকার অনুদান

20