চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ পাঁচটি গরু দিয়ে একটি ছোট গো খামারের যাত্রা। মাঝে সময় গেছে এক যুগ। সেখান থেকে মেধা,শ্রম দিয়ে এখন সেই খামারটি ৫শ’গবাদিপশুর বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়েছে। পবাদিপশু পালনে এমন সফলতা অর্জন করেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ডোমখালী বেড়িবাধ এলাকার আরবিসি এগ্রো টুরিজম লিমিটেডের মালিক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী।
জানা যায়, এক যুগ আগে মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন ওই উদ্যোক্তা। ধারাবাহিক সাফল্য পেয়ে খামারের পরিধি বাড়ান তিনি। ২২ একর জায়গা নিয়ে গড়ে তোলেন এগ্রো টুরিজম লিমিটেডের নামে পরিকল্পিত বাণিজ্যিক গবাদিপশুর খামার। এখন তার খামারে তিন শতাধিক গরু রয়েছে। পাশাপাশি মহিষ, ভেড়া, ছাগল, হাঁস, মুরগি, কবুতর পালন করছেন এই খামারে। রয়েছে মাছ চাষের জন্য পুকুর। গত কোরবানির ঈদে গরুর পাশপাশি ২৫টি মহিষ বিক্রি করেছেন। একাধিক শ্রমিক এসব গবাদিপশুর দেখাশোনা করেন।
খামারের গবাদিপশু গুলোকে খাওয়ানোর জন্য নিজের জমিতে চাষ করা নেফিয়ার ঘাস ও ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। তার সঙ্গে প্রায় ৩ একর জমিতে চাষ করা ধানের খড়ও খাওয়ানো হয় খামারের পশুদের।
খামারের স্বত্বাধিকারী শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান,‘২০১২ সালে ৫টি গরু নিয়ে ছোট পরিসরে শুরু করেছি। এরপর ধীরে ধীরে পরিধি বাড়াতে থাকি। গরুর পাশাপাশি ছাগল, মহিষ, ভেড়া পালন শুরু করেছি। এখন খামারে গরু, ছাগল, ভেড়াসহ প্রায় ৫ শতাধিক পশু রয়েছে। খামারে প্রায় ১৫ জন লোক কাজ করেন। আমাদের নিজের জমিতে উৎপাদিত খাবার খাওয়ানো হয় পশুগুলোকে। বাইরের কোনো খাবার প্রয়োজন হয়না।
মিরসরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শুভ সূত্রধর জানান, ‘মিরসরাই উপজেলায় ছোট বড় অনেক খামারি রয়েছে। তার মধ্যে আরবিসি এগ্রো খামার অন্যতম। স্বল্প সংখ্যক গরু দিয়ে শুরু করলেও এখন এটি উপজেলার অন্যতম একটি বড় খামারে পরিণত হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে বিভিন্ন সময় তাদের সহযোগিতা করা হয়।’
কৃ/স/জয়