কৃষি সময়
প্রকাশ : Sep 20, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ু-সহনশীল দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার আহ্বান স্পীকারের

নিজস্ব প্রতিবেকঃ 
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপি বলেছেন, আইনপ্রণেতা হিসেবে কার্যকর আইন প্রণয়ন, সংসদীয় তদারকি শক্তিশালী করা এবং বাজেট বরাদ্দে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কণ্ঠস্বর ফুটিয়ে তোলা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ফোরামের মাধ্যমে একটি জলবায়ু-সহনশীল, জ্বালানি সুরক্ষিত ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের কাজ করতে হবে।

আজ (রবিবার) রাজধানীস্থ প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংসদীয় ফোরাম এর অধীনে “বাংলাদেশে জলবায়ু ও জ্বালানি এজেন্ডা প্রণয়নঃ একটি সংসদ সদস্যদের সংলাপ”প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই জ্বালানি রূপান্তরের লক্ষ্য ও কৌশল নির্ধারণের জন্য সংসদ সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত একটি উচ্চ-পর্যায়ের নীতি-নির্ধারণী আলোচনা সভায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের  স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি এবং মূল আলোচক হিসাবে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মোঃ সাইমুম পারভেজ। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, এমপি এবং ফজলে হুদা বাবুল, এমপি।

বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে স্পীকার বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় এবং স্থানীয় পর্যায়ে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এ দেশের মানুষ অভূতপূর্ব সক্ষমতা দেখিয়েছে। জলবায়ু সংকটের কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই। তিনি বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল নিশ্চিত করা এবং উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়া একটি নৈতিক দাবি।

স্পীকার এসময় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ক্ষতি পূরণ আদায়ে আন্তর্জাতিক ফোরামে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য সংসদ-সদস্যদের আহ্বান করেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার রূপান্তরিত জ্বালানি নিয়ে কাজ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসাথে, আগামী ৪ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ইতোমধ্যে এ বছর সরকারি অর্থায়নে তিন কোটি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের জন্য শুধু আমরাই দায়ী নই। এক্ষেত্তে উন্নত ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর অনেকাংশে দায় রয়েছে।

আলোচনায় আমন্ত্রিত সংসদ-সদস্যগণ ও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞগণ তাদের মত বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে সাউথ এশীয় আঞ্চলিক সংসদীয় ফোরামের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহেশপুরে রাস্তার পাশে ময়লার ভাগাড়ে ভোগান্তি

1

ইসিফরজে প্রকল্পে ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান

2

অসময়ে মাচায় ঝুলছে তরমুজ

3

জয়পুরহাটের আলু চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে

4

কুমড়া বড়িতে ভাগ্য বদলাচ্ছেন নারীরা

5

আমিনবাজারের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে চীন

6

জুনিয়র বিসিএস কর্মকর্তার ঘুষিতে রক্তাক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা

7

গরুর খামারে স্বাবলম্বী তৌহিদুল

8

কৃষকের ২২ বিঘা জমির ১৩ হাজার কলাগাছ কর্তন

9

কানসাট আম বাজার এখনো জমজমাট

10

বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে যা বলল নয়াদিল্লি

11

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হার্ড লাইনে পরিবেশ অধিদপ্তর

12

জেলের জালে ৩ কেজির ভোল পোয়া

13

কাঁচা মরিচের দাম করতে শুরু করেছে

14

ভোলায় বোম্বাই মরিচ চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে

15

রাজশাহী জেলায় আমন রোপণে ব্যস্ত কৃষক

16

বম্বে সুইটস ও বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

17

বাংলাদেশ ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা

18

মহাসড়ক অবরোধ করে পোলট্রি খামারিদের বিক্ষোভ

19

ব্রি’র অর্গানিক সার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমাবে ইউরিয়ার ব্যবহার

20