শেরপুর প্রতিনিধিঃ শেরপুরের নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতি উপজেলার সীমান্তবর্তী প্রায় ৪২ কিলোমিটারজুড়ে গারো পাহাড় এখন বিলুপ্তপ্রায় এশিয়ান প্রজাতির হাতির প্রাকৃতিক অভয়াশ্রম। এসব এলাকায় এখন হাকি আর তার শাবকদের অবাধ বিচরন। ইতোমধ্যে যাকে প্রাকৃতিক সাফারি পার্ক বলা হচ্ছে। যা দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে শত শত মানুষ।
জানা গেছে, শেরপুরের গারো পাহাড় এলাকায় হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব^ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে । মাঝে মাঝেই খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে আসা হাতির আক্রমণে মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।মানুষের আক্রমনে হাতিও মারা গেছে। হাতির কারনে শত শত একর ফসলি জমি ও বহু বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয় সারা বছর। এর প্রতিকারে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও তা কাজে আসেনি। তবে ইতোমধ্যে বন বিভাগ হাতির খাদ্যেও জন্য গাছ লাগিয়েছে। তাদের আবাসস্থল রক্ষায় সেচ্ছাসেবী সংগঠনও কাজ করছে।
শেরপুর ওয়াইল্ডলাইফ বিভাগের রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন জানান, খাদ্য সংকটের কারণেই হাতি লোকালয়ে চলে আসে এবং মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা সমাধানে পাহাড়ি বনাঞ্চলের প্রায় ৬ একর জমিতে হাতির খাদ্য উপযোগী গাছ লাগানো হয়েছে। তিন বছর বয়সি এসব গাছ আরও দুই-তিন বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ খাদ্য হিসাবে উপযোগী হয়ে উঠবে। তখন হাতির খাদ্য সংকট অনেকটাই কমবে এবং তারা বনেই অবস্থান করবে।
কৃ/স/জয়