কৃষি সময়
প্রকাশ : Oct 31, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা, দেশে চালু হলো গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি

৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গাজীপুরে স্থাপিত সেন্টার উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক 
দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির উপযোগী করতে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির সূচনা হয়েছে। কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো, জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখার মাধ্যমে রপ্তানি সম্প্রসারণে এ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে নবনির্মিত গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যকে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত আমের গুণগত মান ভালো। গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব আমের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো ও জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে।


তিনি বলেন, সম্প্রতি চীন থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁঠালেরও ব্যাপক চাহিদা ও খাদ্যগুণ রয়েছে। তবে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি। গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার এ লক্ষ্য পূরণে সময়োপযোগী উদ্যোগ।


কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের পচন ও অপচয় রোধ এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব কেন্দ্রের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং দক্ষ কারিগরি দল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


তিনি বলেন, ‘কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করবে।’


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিনার মহাপরিচালক ড. সারফুল হক ভূঁইয়া। এতে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ডা. জিয়াওকুন শি বক্তব্য দেন।


উল্লেখ্য, কৃষিপণ্য পরিশোধনে পরমাণু প্রযুক্তিনির্ভর এ সেন্টারটি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ৮৯ কোটি টাকা।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে পাটের বীজ উৎপাদন বাড়ছে

1

সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যহার

2

কুমিরের কামড়ে বৃদ্ধ আহত

3

পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির অনুমোদন

4

৫দিন বৃষ্টিপাতের আভাস

5

অসময়ের টমেটো চাষে তিন গুণ লাভ

6

খাগড়াছড়িতে ২৪টি গুইসাপসহ নারী আটক

7

ঋণের জালে বন্দি গুঠাইলের জেলেদের জীবন

8

আধুনিক কসাইখানা হলে মাংস রপ্তানি বাড়বে

9

রংপুরে সবজি চাষাবাদে ভাগ্য বদল কৃষকদের

10

জিয়া খাল খনন না হওয়ায় ব্যহত চাষাবাদ

11

চরাঞ্চলের জলবায়ু-সহিষ্ণু উন্নয়নে জাতীয় অগ্রাধিকার জরুরি

12

মাল্টা-কমলার বাগানে রাজুর ভাগ্য

13

খাদ্য উৎপাদন বাড়ার নেপথ্যে কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদ

14

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হার্ড লাইনে পরিবেশ অধিদপ্তর

15

হাসের বাচ্চা ফুটিয়ে চলে তাদের সংসার

16

নকল মধু তৈরি,লাখ টাকা জরিমানা

17

৩০ অবৈধ কয়লা তৈরির চুল্লি ধ্বংস

18

খেজুরের বিচি থেকে কফি তৈরি

19

দুম্বা পালনে রবিউলের সফলতা

20