কৃষি সময় ডেস্কঃ
শিকারীর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে অর্ধ শতাধিক ঘুঘু। ফরিদপুরে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে ঘুঘুগুলোকে আটক করা হয়েছিলো।
বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খার হাটে পাখিগুলো মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গম ধোলাই চরে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল পেতে ঘুঘুসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য পাখি শিকার করে আসছে। পদ্মার দুর্গম চর হওয়ায় নির্বিঘ্নে পাখি শিকার করে আশপাশের বিভিন্ন হাটে বিক্রি করছিল তারা।
বুধবার বিকেলে মাসুদ নামের এক পাখি শিকারি মমিন খার হাটে প্রায় ৬০টি ঘুঘু বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। প্রতি জোড়া ১০০ টাকা দরে বেশ কয়েকটি পাখি বিক্রিও করেন তিনি।
বিষয়টি স্থানীয় এক সংবাদকর্মী প্রশাসনকে অবগত করেন। খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে শিকারি খাঁচায় থাকা প্রায় অর্ধশতাধিক ঘুঘু পাখি সবার সামনে মুক্ত করে দেন।
এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, পাখি ও বন্যপ্রাণী শিকার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সচেতন নাগরিকরা এ ধরনের শিকারিদের শনাক্ত করে প্রশাসনকে খবর দিলে দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া চায়না দুয়ারি জাল দিয়ে মাছ ও পাখি শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি জানান।
কৃ/স/জয়