খাগড়াছড়ি সংবাদদাতাঃ
কাপ্তাই হ্রদে গত সাত দিনে ২২৪ টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আহরণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের আওতাধীন মৎস্য উপকেন্দ্রে পুরোদমে শুরু হয়েছে মাছ আহরণ ও বিপণন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই মৎস্য আহরণ উপকেন্দ্রের প্রধান জসীম উদ্দিন। তিনি জানান, গত ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ ধরা শুরু হয়। ১১ আগস্ট প্রথম দিনেই সবচেয়ে বেশি ৫৩ দশমিক ১৯৮ টন মাছ আহরিত হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দিন ৩৬ দশমিক ৯৭৮ টন, তৃতীয় দিন ২৬ দশমিক ৪৯৮ টন, চতুর্থ দিন ৩২ দশমিক ৭৮২ টন, পঞ্চম দিন ২৭ দশমিক ২৪৫ টন, ষষ্ঠ দিন ২৮ দশমিক ৪৯৭ টন এবং ১৭ আগস্ট সপ্তম দিনে ১৯ দশমিক ৩২০ টনসহ মোট ২২৪ টন মাছ আহরণ করা হয়েছে। এতে শুরু থেকেই জেলেদের মাঝে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের সুষম বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ ধরা, পরিবহন ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। পরে হ্রদের পানির স্থিতি বিবেচনা করে ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত তা বর্ধিত করা হয়।
কৃ/স/জয়