রাজশাহী সংবাদদাতাঃ
“ব্ল্যাক রাইস” চাষে নতুন স্বপ্ন দেখছেন মিজানুর রহমান নামে এক চাষী। ফেসবুক থেকে ভিডিও দেখে তিনি এই ধান চাষাবাদ করে ভাল ফলনের আশা করছেন। তার জমিতে এ ধানের ভাল ফলন দেখা যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন ভাল ফলনে লাভবান হবেন। এই চাষী রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের কামারপুর গ্রামের এই কৃষক।
জানা যায়,এই চাষী ফেসবুকে ভিডিও দেখে ব্লাক রাই চাষে আগ্রহী হন। পরবর্তীতে তিনি অনলাইনের মাধ্যমে এই ধানের বীজ সংগ্রহ কওে নিজের জমিতে লাগান। এখন তার জমিতে কালো ধানে ভরে গেছে। ইতোমধ্যে ধানের শীর্ষ বের হয়েছে। এখন পর্যন্ত জমিতে ভাল ফলন দেখা যাচ্ছে। তিনি আশা করছেন ধান কাটার পর বাম্পার ফলনে লাভবান হবেন। নতুন জাতের এই ধান দেখতে স্থানীয় চাষীরা প্রতিদিনই তার জমিেেত ভীড় করছেন।
কৃষক মিজানুর বলেন, বীজ, সার ও সেচ মিলে মোট খরচ হয়েছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। ফলন আশানুরূপ হলে আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এই ধান চাষ করবেন।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাক রাইসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট, আয়রন, প্রোটিন ও খাদ্য-আঁশ রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর। প্রচলিত ধানের চেয়ে প্রতি মণে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি পাওয়া যায় বলে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও এটি চাষে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
বাগমারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বাগমারায় বছরে ৩ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হলেও ‘ব্ল্যাক রাইস’ এবারই প্রথম। পুষ্টিগুণ ভালো এবং বাজারে উচ্চমূল্য পাওয়ায় এটি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলছে। কৃষি অফিস থেকে এই উচ্চমূল্যের ধান চাষে কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।
কৃ/স/জয়