ডেস্ক রিপোর্টঃ চট্রগ্রামের বিআরটিসি ফলমণ্ডি বাজারে এখন ফলমুলে ভরপুর। দেশি ফল কম থাকলেও বিদেশি ফলের কমতি নেই। আমদানির আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙ্গুর, খেঁজুর, ডালিমসহ বেশকিছু ফল। নগরজুড়ে খুচরা দোকানি, ফুটপাতের ভ্যানগাড়িতে হরেক রকম আমদানি ফল বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শেষে এখন বাজারে আছে শেষজাত বারি-৪ ও আশ্বিনী আম। এই আম থাকবে আরও কয়েক সপ্তাহ। আছে দেশে উৎপাদিত পেয়ারা, ড্রাগন ফল।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতীয় ডালিম, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চীনের আপেল, দক্ষিণ আফ্রিকা, থাইল্যান্ড ও মিশরের কমলা এবং চীনের আঙুর নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে। যদিও মিশর থেকে কমলার আমদানি বর্তমানে তুলনামূলক কম। বর্তমানে পাইকারি বাজারে ভারতীয় ডালিমের ক্যারেট বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকায়। কমলার ক্যারেট ৪ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার টাকা এবং চীনা আঙুরের ছোট বঙ্ ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দামের পার্থক্য আপেলে।
ফলমণ্ডির আমদানিকারক নাজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, এখন আমদানির ফল আসা বেড়েছে। দিনে ২০ট্রাক ফল প্রবেশ করছে ফলমণ্ডিতে। এই সংখ্যা আগস্টে আরো বাড়বে। মৌসুমী ফলের যখন বাজার ভরপুর ছিল তখন দিনে ১২ ট্রাক আমদানি ফল আসতো। মৌসুমী ফলের সময় আমদানি আমরা কমাই।
ফল ব্যবসায়ী খোন্দকার বলেছেন, 'দক্ষিণ আফ্রিকার আপেল আকার, রং, সংরক্ষণ ক্ষমতা ও স্বাদের কারণে প্রিমিয়াম মানের হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামের কারণে চীনের আপেলের চাহিদা মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে বেশি।'
কৃ/স/জয়