কৃষি সময়
প্রকাশ : Aug 17, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কানসাট আম বাজার এখনো জমজমাট

চাপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতাঃ 
মৌসুম শেষেও এখনো জমজমাট চাপাইনবাগঞ্জের কানসাট আম বাজার। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে হাজার হাজার মণ নাবি জাতের মন আম। এতে চাষী আর বিক্রেতা উভয় লাভবান হচ্ছেন।

কানসাট আমের বাজার এখনো ভারা আমের মৌসুমের মতই ক্রেতা বিক্রেতায় সরব। সকাল থেকে চাষীরা বিভিন্ন বাহনে আম নিয়ে বাজারে আসছেন। এখানে সারি সারি সাজিয়ে রেখেছেন আম। যেখানে রয়েছে আশ্বিনা, বারি-৪, বারি-৮, গৌড়মতি, কাটিমন ও ব্যানানা ম্যাঙ্গোসহ নানা জাতের আম। মৌসুমের শেষ সময়ে বাজারে এতো আমের আমদানি আগে কখনো দেখা জায়নি। 

বাজার ভর্তি যেমন আম এসেছে। তেমনি তার ক্রেতাও এসেছেন। দরদামের হাটডাকে মুখর পুরো বাজার। বিভিন্ন নাবি ও বারোমাসি জাতের আমকে ঘিরে জেলার বৃহত্তম কানসাট আমের বাজারে আবারও প্রাণ ফিরেছে। 

কানসাট বাজার ঘুরে দেখা যায, বর্তমানে আশ্বিনা আম ব্যাগিং করা ২২০০ থেকে ২৫০০ টাক মণে এবং ব্যাগিং ছাড়া গুলো ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা মণ, গৌড়মতি ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা মণ এবং কাটিমণ সাড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

কানসাটে দীর্ঘ এক যুগ ধরে অনলাইনে আমের ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ী মো. ওয়াহিদ। তিনি বলেন, মৌসুমের মাঝামাঝি কয়েকদিন বাজার কিছুটা চাঙা ছিল। মৌসুমজুড়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ছিল না। তবে চলতি বছর লাভজনক ব্যবসা করেছেন।

ঢাকা থেকে আসা আমের ব্যাপারী মোরশেদ খান জানান, তিনি সরাসরি আমের মান দেখে কানসাট আড়তদারদের কাছে আম ক্রয় করেন। ভালো পরিচর্যায় ঢাকায় আম পাঠাতে পারলে  আর কোনো রিস্ক থাকে না। তিনি বংশ পরম্পরায় আমের ব্যবসা করেন। এ বছর তিনি লাভে আছেন বলেও জানান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কৃষি উদ্যোক্তা মুঞ্জের আলম বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাতি, ল্যাংড়া, ফজলি ও আশ্বিনা আম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। জেলার লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা আমের সঙ্গে জড়িত। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখতে আম প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং একটি পূর্ণাঙ্গ আম গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি।

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিকুল ইসলাম জানান, মৌসুমের শেষভাগেও বাজারে নাবি জাতের আমের সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং চাষিরা কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছেন। চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন। 

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তরমুজ চাষে কৃষকের সাফল্য

1

কোড়ল আহরণে বিলুপ্তির পথে বাঁশের প্রজাতি

2

লোনাপানিতে নষ্ট হচ্ছে আমন খেত

3

খাদ্য উৎপাদন বাড়ার নেপথ্যে কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদ

4

বৈদ্যেরবাজারে দেশি মাছের জমজমাট কেনাবেচা

5

ছোট ফেনী নদীর ভাঙন রোধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

6

তরমুজ চাষে নুর উদ্দিনের সাফল্য

7

চুইঝাল চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের

8

মিয়ানমারে পাচারের সময় সার ও সিমেন্ট সহ আটক ৬

9

সারা দেশে ৬ মাসে ২ কোটির বেশি গাছ রোপণ করেছে সরকার

10

খাঁচায় মাছ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছে চাষীরা

11

উজানের ঢলে ভেসে গেছে ফসল মাছের ঘের

12

দেড় থেকে দুই কোটি মানুষকে টিসিবির পণ্য দেওয়া সম্ভব: বাণিজ্য

13

১৭ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস

14

জায়গা সংকটে ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি

15

৩ শ’বস্তা সার সহ আটক ১

16

রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভমূল্যে প্রোটিন খাদ্য দেবে সরকার

17

আঙুর চাষে রুহুল আমিনের সাফল্য

18

বৃষ্টির মতো উপর থেকে ফসলি জমিতে সেচ পদ্ধতি বিএডিসির

19

দূষণমুক্ত নদী ও পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

20