স্টাফ রিপোর্টাও : দেশের হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের চারা-কলম, ফল, ফুল, শাক-সবজি, মসলা, বীজ, মাশরুম এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।
নতুন এ মূল্যতালিকা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
সম্প্রতি ডিএইর হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক ড. মো. হজরত আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মহাপরিচালক ও হর্টিকালচার সেন্টারসমূহের কর্মকর্তাদের ভার্চুয়াল সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ মূল্য পুনর্র্নিধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যতালিকায় দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টার ও মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ফলদ, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা-কলম, শাক-সবজি, ফল, বীজ, মাশরুম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির জন্য বেশ কিছু চারা-কলমের পৃথক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন তালিকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ফল, শাক-সবজি, মসলা ও বীজের বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। তবে কয়েকটি চারা-কলমের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে তেঁতুল, শরিফা, কদবেল, নিম, আমলকী, তাল ও কাঠবাদামের চারার দাম বেড়েছে। বিদেশি লম্বা জাতের নারিকেল চারা নতুনভাবে মূল্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অ্যাভোকাডো কলমের মূল্য ৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে টিস্যু কালচার কলা চারা ও কফি চারার মূল্য কিছুটা কমানো হয়েছে।
ডিএই জানিয়েছে, দেশের সব হর্টিকালচার সেন্টারে উৎপাদিত ফলের চারা বিক্রয়মূল্য আগের অর্থবছরের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সবজির চারা এবং বিভিন্ন সবজির বীজের মূল্যও অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত রয়েছে।
তবে হাইব্রিড সবজির কিছু চারার ক্ষেত্রে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, ফল, ঔষধি ও মসলাজাতীয় চারা নির্ধারিত আকারের পলি, পচনশীল ব্যাগ বা উপযুক্ত পাত্রে উৎপাদন করতে হবে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক, উদ্যানতত্ত্ববিদ ও নার্সারি তত্ত্বাবধায়কদের কাছে পাঠানো হয়েছে।