স্টাফ রিপোর্টারঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ উৎপাদন হয় বৃহত্তর ময়মনসিংহে। এ অঞ্চলের মৎস্য উৎপাদন, উদ্যোক্তা ও খামারিদের সম্ভাবনা তুলে ধরতেই কটিয়াদীকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আয়োজনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধাস অতিথি হিসাবে আসছেন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি ও করণীয় নির্ধারণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে প্রতিবছর দেশের সেরা মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের স্বর্ণপদক দেয়া হয়। এতদিন ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হলেও এবার প্রধানমন্ত্রী এমন একটি এলাকায় অনুষ্ঠান আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যেখানে মৎস্য উৎপাদন ও মৎস্য উদ্যোক্তাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
দেশের বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের পর এটি হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কিশোরগঞ্জ সফর। একই সঙ্গে ঢাকার বাইরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের মতো এমন জাতীয় আয়োজনও প্রথম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, কিশোরগঞ্জের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজন। জাতীয় পর্যায়ের এই কর্মসূচি কিশোরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলার ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সদরেও পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
কৃ/স/জয়