প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 15, 2026 ইং
জায়গা সংকটে ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
জায়গা সংকটের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাদ্যগুদামগুলোতে চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে। এ কারনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে খাদ্য বিভাগ বলছে এতে সংগ্রহ অভিযান বাধঅগ্রস্থ হবে না।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সরকার সবচেয়ে বেশি ধান-চাল সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে। চলতি বোরো মৌসুমে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ১১ হাজার ২০৮ টন ধান, ৪৯ টাকা দরে ৭১ হাজার ৪২৫ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪৮ টাকা দরে ৪ হাজার ৯৯৩ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৫ মে শুরু হওয়া এ সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পর্যন্ত ১০ হাজার ৩৪৩ টন ধান, ৪৭ হাজার ৫২৫ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪ হাজার ১৪৮ টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জেলা খাদ্য বিভাগের সূত্রে জানা যায়।
জায়গা সংকটের কারণে শুরু থেকেই জেলার খাদ্যগুদামগুলোতে সংগ্রহ কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। জেলার গুদামগুলোতে ধারণক্ষমতা ২১ হাজার ৫০০ টন হলেও বর্তমানে সেখানে ৩০ হাজার ৮৫৯ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টন বেশি খাদ্যশস্য গুদামে রয়েছে।
সংরক্ষণাগারসহ আশপাশের জেলার গুদামগুলোতেও জায়গা সংকট থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে খাদ্যশস্য পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্থানীয় গুদামগুলোতে নতুন করে ধান-চাল সংরক্ষণে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
এ কারনে গুদামে চাল সরবরাহ করতে এসে চালভর্তি ট্রাকগুলোকে ৪-৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত অবস্থান ফি গুনতে হচ্ছে চালকল মালিকদের।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কানিজ জাহান বিন্দু, চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গুদাম থেকে খাদ্যশস্য অন্যত্র পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে গত এক সপ্তাহ ধরে সংগ্রহ কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতিতে চলছে। তবে ইতোমধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশ ধান-চাল সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।
কৃ/স/জয়
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়