প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 3, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 3, 2026 ইং
আনারকলি চাষে সফলতা

নওগাঁ সংবাদদাতাঃ
বিদেশি ফল আনারকলি চাষাবাদ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন মোরছালিন আহম্মেদ নামে এক তরুণ উদ্যোক্তা। ১৪ শতাংশ জমিতে এ চাষাবাদ করে তিনি মোটা অংকের টাকা লাভের আশা করছেন। তার সফলতা দেখে অন্য চাষীরাও এ ফল চাষাবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। নওগার বদলগাছী উপজেলার পাঁচঘড়িয়া এলাকায় তিনি এ চাষাবাদ করেছেন।
জানা যায়,এই উদ্যোক্তা ইউটিউব দেখে এ ফল চাষের আগ্রহ জন্মে। পওে তিনি তার শশুরের কাছ থেকে ১৪ শতক জমি নিয়ে কঙ্বাজার থেকে চারা সংগ্রহ করে সেখানে এ ফল চাষাবাদ করেন। এখন তার ফল বাগানের মাচার ওপর সবুজ লতানো গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে আনারকলি ফল । কোনোটি কাঁচা সবুজ, আবার কোনোটি পেকে বেগুনি বা আকর্ষণীয় হলুদ রং ধারণ করেছে। চমৎকার সুগন্ধ এবং টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটির ভেতরে রয়েছে রসালো শাঁস ও প্রচুর বীজ। পুষ্টিবিদদের মতে, আনারকলি অত্যন্ত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও খাদ্যআঁশ রয়েছে। এটি সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি জুস, জ্যাম বা বিভিন্ন সুস্বাদু খাদ্যপণ্য তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদ্যোক্তা মোরছালিন জানান, জমি তৈরি, মাচা নির্মাণ, চারা কেনা ও জৈব সার ব্যবহার করে বাগানটি তৈরি করতে তার প্রথম দফায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। গাছ লাগানোর মাত্র তিন মাসের মাথায় বাগানে ফুল ও ফল ধরতে শুরু করে। বর্তমানে বাগান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ কেজি ফল সংগ্রহ করছেন তিনি। স্থানীয় বড় ফলের দোকান ও সুপারশপগুলোতে প্রতি কেজি আনারকলি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা বেশ লাভজনক। সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও নিয়মিত বাজার নিশ্চিত করা গেলে এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে দারুণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
বদলগাছী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমরা ওই উদ্যোক্তাকে উদ্বুদ্ধ করতে এবং কারিগরিভাবে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা বা প্রণোদনা এলে তাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহযোগিতা করা হবে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়