প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 1, 2026 ইং
মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে লাভবান কৃষকরা

চট্রগ্রাম সংবাদদাতাঃ
চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষাবাদ করে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। কম খরচে,অল্প সময়ে গ্রীষ্মকালীন এ চাষাবাদে ভাল টাকা আয় করছেন চাষীরা। ফলে দ্রুত বাড়ছে এ চাষাবাদের পরিধি।
জানা গেছে, মিসরাইয়ে চলতি বছর দুই হেক্টর জমিতে আটজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেছেন। এদের মধ্যে তিনজনকে কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজন আগে প্রদর্শনী নিয়ে বর্তমানে নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন। কৃষি বিভাগ থেকে চাষীদের চাষাবাদের পুরো সময়ে সব রকমের পরার্মশ এবং সহযোগীতা দেয়া হচ্ছে।
সরেজমিনে চাষীদের জমিতে গিয়ে দেখা যায়,পুরো জমি তারা মালচিং পেপারে ঢেকে দিয়েছেন। তার ভিতর থেকে গাছ বের হয়ে মাচায় তুলে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মাচার নিয়ে ঝুলছে অসংখ্যা রঙিন তরমুজ। যা সবার দৃষ্টি কেড়েছে। চাষীরা জমি থেইে পাইকারদের কাছে ভাল দামে তরমুজ বিক্রি করছেন। তরমুজ বিক্রি করে ভাল টাকা আয় হবার কারনে এ উপজেলায় অন্য চাষীরাও এ চাষাবাদে এখন আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের মসজিদ্দিয়া গ্রামের তরমুজচাষী মো. লিটন জানান,আমি গত বছর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী নিয়ে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেছিলাম। চলতি বছর নিজ উদ্যোগে ৫৪ শতাংশ জমিতে রসগোল্লা, রবি, বিগ-বাইট, সূর্য ডিম ও কিং সুগার জাতের তরমুজ চাষ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ২ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। আরো ৩ লাখ টাকার মতো বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি।
মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, চলতি বছর উপজেলায় আটজন কৃষক দুই হেক্টর জমিতে এ তরমুজ চাষ করেছেন। এদের মধ্যে প্রদর্শনীতে ছিল তিনজন। বাকিরা আগে প্রদর্শনী পেয়ে নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন। ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশি। আগামীতে আবাদ আরো বাড়বে বলে আমি আশাবাদী।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়