প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 31, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 31, 2026 ইং
টেকনাফে শসার বাম্পার ফলন

কক্সবাজার সংবাদদাতাঃ
কক্সবাজারে টেকনাফ উপজেলায় এবার শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। ভাল ফলন এবং দামে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে চাষীরা বলছেন,চাহিদা মাফিক সারা না পাওয়ায় তাদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় মাঠে মাঠে এবার শসা চাষাবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় ভাল ফলনও হয়েছে। আগাম শসা বিক্রি করে বাাজরে ভাল দাম পেয়েছে চাষীরা।
কৃষকেরা জানান, শসা চাষে জমি প্রস্তুত, বীজ কেনা, সার প্রয়োগ, সেচ ও পরিচর্যাসহ বিভিন্ন খাতে ভালোই খরচ হয়। ফলন ভালো হলে এবং বাজারে ন্যায্য দাম পেলে খরচ বাদ দিয়ে ভালো লাভ করা সম্ভব। বর্তমানে ভালো ফলন ও বাজারদর স্বস্তি দিলেও সার নিয়ে অনিশ্চয়তা তাদের ভাবিয়ে তুলছে। চাষিদের মতে, শসা গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও ফলন ধরে রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো সার না পেলে গাছের বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
স্বল্পমেয়াদি সবজি হওয়ায় অল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় অনেক কৃষকই নিজেদের জমিতে শসা চাষে ঝুঁকছেন। জমিতে গাছভর্তি শসা দেখে তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
সাবরাংয়ের পেন্ডলপাড়া এলাকার চাষি মুক্তার আহমদ জানান, ‘প্রতিবছরই আমি শসা আবাদ করি। এ বছর ফলন যেমন ভালো হয়েছে, দামও ভালো পাচ্ছি। তবে সার নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে, ঠিকমতো সার পাইনি। তাছাড়া কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে।’
আরেক চাষী মো. ইয়াছিন বলেন, ‘শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। সারের দাম বেশি হওয়ায় খরচও বেড়েছে, তবে আশা করছি লোকসান হবে না, বরং লাভ পাব।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, শসার বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে তারা উৎপাদন খরচ পুষিয়ে ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। পাশাপাশি কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার সরবরাহের বিষয়টি নিয়মিত নজরদারিতে রাখলে চাষিরা আরও স্বস্তিতে উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারবেন। টেকনাফে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ সার সরবরাহ করা হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়