প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 29, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 29, 2026 ইং
লাল তেঁতুলে ভাগ্য বদল

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতাঃ
থাইল্যান্ডের লাল রঙের তেঁতুলের বাণিজ্যিক চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন সজল নামে এক কৃষি উদ্যোক্তা। তার বাগানের গাছে গাছে ঝুলছে তেতুলে ফুল, কাঁচা ও পাকা ফল। এই তেতুলের বাগান গড়ে এর মাধ্যমে আয় করে নিজের ভাগ্য বদল করেছেন তিনি। সজল চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী উপজেলা জীবননগর উপজেলার শিংনগর গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, সজল ভারতের মহারাষ্ট্রে ঘুরতে গিয়ে ছাদে লাগানোর জন্য লাল তেতুলের গাছ নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে বাবার পরামর্শে এই তেঁতুলের বাগান করেন। যা এখন বেশ বড় হয়ে ফুল ফল ধরছে। গাছ লাগানোর দুই বছর পর থেকে এর ফুল ফল পাওয়া যায়। মিষ্টি হওয়ায় বাজারেএই তেতুলের বেশ চাহিদা রয়েছে। এর স্বাদ সাধারণত মিষ্টি কিংবা হালকা টক-মিষ্টি। এই তেঁতুলের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক এর ভেতরের পাল্প। কাঁচা অবস্থায় শাঁস হালকা গোলাপি বা লালচে থাকলেও পরিপক্ব হলে তা গাঢ় লাল রঙ ধারণ করে। এ কারণে বাজারে প্রচলিত তেঁতুলের তুলনায় এটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়।
সজলের বাগান ঘুরে দেখা যায়, গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল রঙের তেঁতুল। ফলের আকর্ষণীয় রঙ হওয়ায় সহজেই সকলের নজর কাড়ছে। দেশীয় জাতের তেঁতুলের তুলনায় এর ভেতরের শাঁসের রঙ একেবারেই আলাদাÑ পাকলে গাঢ় লাল বা টকটকে রক্তবর্ণ ধারণ করে।
চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী উপজেলা জীবননগর। এ উপজেলায় প্রচলিত কৃষির বাইরে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা সজল। ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে আনা থাইল্যান্ডের লাল রঙের তেঁতুল বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন তিনি। এতেই ভাগ্য বদলে যাচ্ছে তার। গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে ফুল, কাঁচা ও পাকা ফল। বারোমাসি ফলন হওয়ায় এই তেঁতুল চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকেও করা হচ্ছে সার্বিক সহযোগিতা।
রবিবার সরেজমিন জীবননগরের শিংনগরে সজলের বাগান ঘুরে দেখা যায়, গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল রঙের তেঁতুল। ফলের আকর্ষণীয় রঙ হওয়ায় সহজেই সকলের নজর কাড়ছে। দেশীয় জাতের তেঁতুলের তুলনায় এর ভেতরের শাঁসের রঙ একেবারেই আলাদাÑ পাকলে গাঢ় লাল বা টকটকে রক্তবর্ণ ধারণ করে।
জীবননগরের মাটিতে নতুন এই ফলের চাষ ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। তরুণ এই কৃষি উদ্যোক্তার প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা ও বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে লাল রঙের তেঁতুল ভবিষ্যতে জীবননগরের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে।
সজল জানান, লাল তেঁতুল মিষ্টি হওয়ায় সবার কাছে চাহিদা রয়েছে। একই গাছে বছরের বিভিন্ন সময়ে ফুল, কাঁচা ও পাকা ফল পাওয়া যায়। গাছ লাগানোর দুই বছর পরই তেঁতুল ধরা শুরু হয়। গাছ ছোট হওয়ায় ছাদেও রোপণ করা যায়। স্বাদ সাধারণত মিষ্টি কিংবা হালকা টক-মিষ্টি। এই তেঁতুলের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক এর ভেতরের পাল্প। কাঁচা অবস্থায় শাঁস হালকা গোলাপি বা লালচে থাকলেও পরিপক্ব হলে তা গাঢ় লাল রঙ ধারণ করে। এ কারণে বাজারে প্রচলিত তেঁতুলের তুলনায় এটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।
কৃষি-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বারোমাসি ফলন হওয়ায় লাল তেঁতুলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাজারজাতকরণ, চারা ও ফলের প্রকৃত বাজারদর এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলন নিয়ে স্থানীয়ভাবে আরও তথ্য সংগ্রহ ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, কৃষি উদ্যোক্তার হাত ধরে এ উপজেলার অনেক দেশি-বিদেশি প্রজাতির ফল চাষ হচ্ছে। নতুন করে লাল রঙের তেঁতুল চাষ হচ্ছে। বাজারেও এর চাহিদা রয়েছে। অল্প সময়ে লাভজনক চাষ হওয়ায় সবাই আগ্রহী হচ্ছে। আশা করি লাল তেঁতুল চাষ করে একদিকে যেমন বেকার সমস্যা লাঘব হবে, অন্যদিকে বেকার যুবক উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে লাভবান হবে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়