প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 26, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 25, 2026 ইং
মাল্টা চাষে সফল নাসির

পিরোজপুর সংবাদদাতাঃ
মাল্টা চাষাবাদে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে নাসির হাওলাদার নামে এক কৃষি উদ্যোক্তা। প্রথমে এক বিঘা জমি দিয়ে শুরু করে এখন তিনি ১৬বিঘা জমিতে মাল্টা চাষাবাদ করছেন। যার মাধ্যমে বছরে আয় করছেন বিপুল পরিমাণ টাকা। এর মাধ্যমে নিজের ভাগ্য বদলানোর পাশাপাশি এলাকার মানুষেরও কর্মসংস্থান তৈরি করেছেন। তিনি পিরোজপুর জেলা সদরের পোরগোল্লা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়,প্রায় এক যুগ আগে এই উদ্যোক্তা মাত্র এক বিঘা জমিতে মাল্টা চাষাবাদ শুরু করেন। এর পর সাফল্য পেলে ধীরে ধীরে তার চাষাবাদের পরিধি বাাড়তে থাকেন। এখন তিনি উপজেলার পোরগোল্লা গ্রামে ১৬ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন বিশাল মাল্টা বাগান। যেখানে নানা জাতের মাল্টা চাষাবাদ হচ্ছে। তার বাগানের প্রতিটি গাছে ঝুলছে মাল্টা। মাল্টার ভারে মাটিতে ডালপালা ঝুলে পড়েছে। ৮ থেকৈ ২০ জন স্থানীয় শ্রমিক বাগানটিতে কাজ করছেন। প্রতি বছর এই বাগান থেকে মাল্টা বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা রাভ করছেন নাসির। যার মাধ্যমে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন তিনি। মাল্টা চাষে সাফল্যের পর এই চাষি বর্তমানে স্ট্রবেরি চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মাল্টা বাাগানের উদ্যোক্তা নাসির হাওলাদার জানান, আমি বাওকুল চাষের মাধ্যমে কৃষিজীবনে আসি। এর কিছুদিন পরে আমাদের এ অঞ্চলে মাল্টা চাষ আসে। প্রথমে এক বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করি, এতে আলহামদুলিল্লাহ সফল হই। গত বছরেও প্রায় ১৬ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি। এই সিজনে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মতো মাল্টা বিক্রি করব। কৃষি অফিস থেকে আমাদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়। এই জেলার মাল্টা খুবই সুস্বাদু, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ মাল্টা যায়।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, পিরোজপুর জেলায় গত বছর ৪৩০ হেক্টর জমিতে মাল্টার চাষ হয়েছিল। এ বছর ৪৩৬ হেক্টর জমিতে মাল্টার আবাদ হয়েছে। এই জেলার মাল্টায় গত বছরে উৎপাদন হয়েছিল ৬,১০৩ মেট্রিক টন আর এ বছর উৎপাদন হয়েছে ৬,২৪৩ মেট্রিক টন। এই মাল্টা চাষের সঙ্গে জেলার প্রায় ১,৫০০ কৃষক জড়িত আছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়