প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 1, 2026 ইং
জমজমাট মুলাডুলি মাছের আড়ত

পাবনা সংবাদদাতাঃ
পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি মৎস্য আড়তে চলে জমজমাট মাছের কেনাবেচা। এ আড়তে ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে শুরু হয় বিক্রেতা ও পাইকারদের দরদাম। প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয়। ভরা মৌসুমে বেচাকেনার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় মৎস্য চাষীরা এ আড়তে মাছ কেনাবেচা করে লাভবান হচ্ছেন।
ঈশ্বরদীর মুলাডুলি মাছের আড়তটি এখন এ অঞ্চলের মাছ চাষী এবং ব্যবসায়ীদের কাছে ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন এ আড়তে নদী, পুকুর ও বিলের তাজা মাছের পর্যাপ্ত জোগান থাকায় প্রতিদিন পাবনার ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া, চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এবং নাটোরের বড়াইগ্রাম ও লালপুরসহ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার কয়েকশ চাষি ও ব্যবসায়ী এখানে মাছ নিয়ে আসেন। বেচা বিক্রিও হয় জমজমাট। ভাল কেনাবেচা হওয়ায় মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই আড়তটি জমজমাট হয়ে উঠেছে।
এ আড়তে রুই, কাতলা, চিতল, সিলভার কার্প, পাঙাশ, আইড়, বাইন, কালিবাউশ, পাবদা, কই, মাগুর, শিং, রিটা, শোল, কাচকি, টাকি ও পুঁটিসহ দেশি ও চাষের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। ঢাকার পাশাপাশি সিলেট, রংপুর, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরের পাইকারি ব্যবসায়ীরাও প্রতিদিন ভোরে মাছ কিনতে এখানে আসেন এই আড়তে।
বর্তমানে এ আড়তে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয়।
আড়তের মাছ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বর্ষাকালে আড়তে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এ ছাড়া মহাসড়কে মাছ পরিবহনকারী যান চলাচলে হাইওয়ে পুলিশের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
মুলাডুলি মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন জানিয়েছেন, আড়তটি গড়ে ওঠায় স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। শত শত মানুষের কর্মসংস্থানও হয়েছে। ভবিষ্যতে আড়তে মাছের আমদানি আরও বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়