প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 25, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 24, 2026 ইং
দেড় লাখ টন সার কিনবে সরকার

কৃষি সময় ডেস্কঃ
দেশের কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে তিন বন্ধুপ্রতীম দেশ থেকে বড় চালানের আন্তর্জাতিক সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপন করা সার কেনার প্রস্তাবগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে অনুমোদন প্রদান করা হয়।
আন্তর্জাতিক বাজার থেকে রাষ্ট্রীয় ও জিটুজি (সরকার টু সরকার) সমঝোতার আওতায় কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার কেনা হবে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই সংক্রান্ত চারটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটিতে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৮৩ কোটি টাকা।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) সরাসরি বাস্তবায়ন করবে। আর সার কেনার জন্য প্রয়োজনীয় এই বিশাল অর্থ সরকারের কৃষি ভর্তুকি খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে।
অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সর্বমোট পরিমাণের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ আসবে কানাডা থেকে। দেশটি থেকে মোট ৮০ হাজার মেট্রিক টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার কেনা হবে। কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশনের (সিসিসি) সঙ্গে পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় জিটুজি পদ্ধতিতে দুই লটে (তৃতীয় ও চতুর্থ লট) ৪০ হাজার টন করে এই সার আসছে।
প্রতি লটে ব্যয় হবে ১৮৯ কোটি ৬৭ লাখ ৩৯ হাজার ৬০০ টাকা, যা আন্তর্জাতিক দর অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন ৩৮৩.৮০ মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কানাডা থেকে মোট ৬ লাখ টন এমওপি সার আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বিএডিসির।
একই সভায় রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকেও সার আমদানির প্রস্তাব পাস হয়। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রডিনটর্গ) থেকে সপ্তম লটে ১৬৫ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আনা হবে।
অন্যদিকে সৌদি আরব থেকে কেনা হবে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার। সরকারের চুক্তি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারদরের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে চলতি অর্থবছরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণেই এই সার সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়