প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 24, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 24, 2026 ইং
বালুতে ঢাকা পড়েছে চাষাবাদের জমি

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
সিরাজগঞ্জে কৃষি জমিতে নদী খননের মাটি রাখায় গত দুই বছর ধরে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। এতে ফলস উৎপাদন যেমন ব্যহত হচ্ছে,পাশাপাশি কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। কিন্তু দুই বছরে নানা জটিলতায় মাটি না সরানোর কারনে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। জেলার কামারখন্দ উপজেলার ঝাটিবেলাই মৌজায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়,পানি উন্নয়ন বোর্ড উপজেলার ঝাটিবেলাই মৌজায় ফুলজোড় নদীর নব্যতা বাড়াতে খনন করে। নদী থেকে খননের বালু দুই পাড়ে কৃষকজের নিজস্ব চাষাবাদের জমি দখল করে রাখা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তোলিত বালু নিলামে ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করে। তবে আইনি জটিলতায় গত দুই বছরেও কৃষি জমি দখল করে রাখা বালু সরানো হয়নি। এতে নদীর দুই পাড়ে প্রায় অর্ধ শতাধিক বিঘা জমি চাষাবাদের জমি বালুর নিচে চাপা পড়ে আছে।
অথচ এসব জমিতে দুই বছর আগে ভুট্টা, বেগুনসহ নানা ধরনের ফসল চাষাবাদ করতেন। দুই বছরে নধী খননের বালু না সারানোর কারনে বিপুল পরিমাণ চাষাবাদে জমি এখন বালুর নিচে পড়ে আছে। এতে স্থানীয় চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক রফিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি অব্যবহৃত থাকায় তাঁরা চরম বিপাকে পড়েছেন। জমা করা বালু দ্রুত সরিয়ে ফেললে আবার জমিতে ফসল ফলানো সম্ভব হতো।
কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসাইন জানান, বালু তোলার কারণে কৃষকেরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন বলেন,কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে বালু সরানোর বিষয়ে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। গভীর রাতে গোপনে কাজ করায় জড়িতদের হাতেনাতে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আদালতে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়