প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 23, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 23, 2026 ইং
৯৮ প্রজাতির বৃক্ষ সংরক্ষণের উদ্যোগ

রাঙ্গামাটি সংবাদদাতাঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় (নেটিভ) ও দেশীয় প্রজাতির অনেক বৃক্ষ এখন বিলুপ্ত এবং বিলুপ্তপ্রায়। বাংলাদেশের এসব অতিবিপন্ন প্রজাতির বৃক্ষগুলো সুরক্ষায় ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে ৫৫টি প্রজাতির উদ্ভিদকে সংরক্ষিত বা রক্ষিত উদ্ভিদ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। এরই মধ্যে পাহাড়ের প্রাচীন ও দেশীয় প্রজাতির ৯৮ উদ্ভিদ পুনঃস্থাপনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৪২ প্রজাতির উদ্ভিদ ও ১৩ প্রজাতির অর্কিডসহ মোট ৫৫ প্রজাতি রক্ষিত। বন কর্মকর্তারা বলছেন, বড় গাছগুলো পাহাড়ে পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ঝিরি-ঝরনার পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে অর্থনৈতিক লাভের আশায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সেগুনের চাষ বাড়ায় কমেছে অন্যান্য প্রজাতির গাছ ও উদ্ভিদ। এতে জীববৈচিত্র্যও সংকটে পড়েছে।
এই সংকটের মাঝেও পাহাড়ের বনগুলো বন্যপ্রাণীদের অভয়ারণ্য হিসেবে টিকে আছে। টিকে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষ ও বুনো অর্কিড।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়নের মাধ্যমে বন ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প’ শীর্ষক দুই পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি) ৯৮ প্রজাতির দেশীয় বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির বৃক্ষ সৃজনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বন বিভাগ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এসএম সাজ্জাদ হোসেন জানান, ‘মূলত বিলুপ্ত বা হারিয়ে গেছে; সেসব উদ্ভিদ প্রজাতিগুলো রিস্টোর (পুনরুদ্ধার বা পুনঃস্থাপন) করার লক্ষ্যে সংরক্ষিত বনে বনায়ন করা হচ্ছে। দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন বনাঞ্চলে ২০ হেক্টর বাঁশবাগানসহ প্রায় ৫০০ হেক্টর সংরক্ষিত বনায়ন করা হবে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়