প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 20, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 20, 2026 ইং
সোহেল রানার বাগানে এখনও ঝুলছে আম

নওগাঁ সংবাদদাতাঃ
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সোহেল রানা নামে এক উদ্যোক্তার বাগান জুড়ে গাছে গাছে এখনো ঝুলছে আম। অসময়ে তার বাগানের এই আম বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এক মৌসুমেই তিনি ৬০ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন।
এই উদ্যোক্তার বরেন্দ্র এগ্রো নামে আম বাগানের সারি সারি গাছে গাছে এখন অসময়ের গৌরমতি ও বারোমাসি কাটিমন জাতের আমে ভরপুর হয়ে আছে। বাগানের ১৮০০ গাছে বিলম্বিত জাত গৌরমতি এবং ১৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন জাতের আম ঝুলছে। আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে গৌরমতি আম বাজারজাত করতে শুরু করেছেন। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে কাটিমন আম বাজার জাত করতে শুরু করেছেন।
তিনি ৭৫ বিঘার এই বাগান থেকে গৌরমতি গাছ থেকে ৪শ মণ এবং কাটিমন গাছ থেকে ৪৫০ মণ আম পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।
তিনি আশা করছেন,প্রতি মণ গড়ে ৭০০০ টাকা হারে কাটিমন আম বিক্রি হবে ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গৌরমতি আম বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ কমপক্ষে ৮ হাজার টাকায়। সেই হিসাবে গৌরমতি আমের বিক্রয় মূল্য ৩২ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ৬৩ লাখ টাকার অমওসুমী আম বিক্রি করবেন বলে প্রত্যাশা সোহেল রানার।
সোহেল রানার এই বাগান এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ এই বাগান দেখতে আসেন। অনুকরণীয় এই আম বাগান দেখে নিজেরাও এমন বাগান সৃজনের প্রত্যাশা করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আশা লোকজন।
নওগাঁ জেলায় আম বাগানগুলোতে বর্তমানে পর্যাপ্ত মওসুমী জাতের আমের পাশাপাশি বিলম্বিত জাতের গৌড়মতি এবং বারোমাসি কাটিমন আমচাষের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সোহেল রানার এই বাগান পরিচর্যার কাজে কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় কমপক্ষে ১০ জন বেকার যুবকের। প্রতিদিন তারা ৬০০ টাকা করে মজুরি পেয়ে থাকেন যা দিয়ে চলে তাদের সংসার।
নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান জানান,বিলম্বিত জাতের হওয়ার ফলে বাগান মালিকরা আমের মূল্যও পাচ্ছেন বেশি। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ আমচাষিদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে । নওগাঁর আমচাষিরা ক্রমান্বয়ে লাভজনক ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়