প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 18, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 18, 2026 ইং
লোডসেডিংয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মুরগি খামারিরা

বরগুনা সংবাদদাতাঃ
বরগুনার তালতলীতে ঘন ঘন লোডশেড়িংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মুরগী খামারীরা। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের খামারের মুরগী মারা যাচ্ছে। এতে তারা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
জানা যায়,গত কয়েকদিন ধরে তালতলী উপজেলায় বিদ্যুতের তীব্র লোড়শেডিং চলছে। এমন অবস্থায় খামারের মুরগী টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। উপজেলার ছোটবগী বাজারে লোড়শেডিংয়ের কারণে খামারে ১৯০টি মুরগির বাচ্চা মারা যাওয়ার অভিযোগ করেছেন এক খামারি। তার দাবি, বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে প্রয়োজনীয় তাপ দিতে না পারায় এ ঘটনা ঘটেছে। এতে তার প্রায় ১৩ হাজার ৩০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাফি পোল্ট্রি ফার্মে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থ খামারি রফিক মিয়া জানান,রাতে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করলেও সব মিলিয়ে মাত্র প্রায় চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল। দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাচ্চাগুলোকে প্রয়োজনীয় তাপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিকল্প তাপের কোনো ব্যবস্থাও ছিল না কারেন্ট না থাকায় বাচ্চাগুলোকে সঠিক তাপ দিতে পারিনি। সকালে এসে দেখি ১৯০টি বাচ্চা মারা গেছে।
এ বিষয়ে তালতলীর উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সিকদার বলেন, সদ্য আনা মুরগির বাচ্চার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখা জরুরি। অতিরিক্ত ঠান্ডা, ব্রুডিং সমস্যা, বাতাস চলাচলের সমস্যা, পানিশূন্যতা, খাবার গ্রহণ কমে যাওয়া কিংবা বিভিন্ন রোগেও বাচ্চার মৃত্যু হতে পারে। বাচ্চাগুলো পরীক্ষা করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তালতলী সাব-জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) মো. মোতাহার উদ্দিন বলেন, বর্তমানে উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় আড়াই থেকে ৩ মেগাওয়াট। এ কারণে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ ঘাটতির এমন পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি খামারিদের বিদ্যুতের পাশাপাশি বাচ্চাগুলোর জন্য বিকল্প তাপের ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়