প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 13, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 13, 2026 ইং
গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চারা উৎপাদন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতাঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। জেলার সদর উপজেলায় শতাধিক নার্সারিতে গ্রীষ্মকালীন চারা উৎপাদন করে কৃষকরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন।
জানা যায়,জেলা সদরের তিনটি ইউনিয়নে গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করছে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ। সদর উপজেলার নাটাই উত্তর, রামরাইল এবং মাছিহাতা ইউনিয়নের উদ্যোক্তা কৃষকরা তাদের নিজস্ব নার্সারীতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা উৎপাদন করছেন। এই চারাগুলো সাধারণত তিত বেগুন বা বন বেগুন বা রাস্তার পাশে যে ওয়াইল্ড ভ্যারাইটির বেগুন পাওয়া যায়, এই বেগুনের চারার সাথে উন্নত প্রজাতির টমেটোর চারার কলম করে উৎপাদন করা হয়।
চারা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত কৃষি উদ্যোক্তা বাদল মিয়া জানান, জুন মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সময় বৃষ্টির প্রভাব থাকে খুব বেশি। এ সময় লুজ টমেটো, অর্থাৎ নন-গ্রাফটিং টমেটো হয় না। এতে করে স্থানীয় চাহিদা পূরণে টমেটো আমদানি করতে হয়। আমদানি নির্ভরতা কমাতে চারা উৎপাদনের তাদের এই পথটা বেছে নিতে হয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সদর উপজেলার এসব নার্সারি থেকে সারা বছর প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকার চারা কেনা-বেচা হয়ে থাকে। এতে টমেটো চারা উৎপাদনে জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।গ্রীষ্মকালীন উচ্চ তাপমাত্রা ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে আগে টমেটোর চারা চাষ করা বেশ কঠিন ছিল। বর্তমানে কৃষকরা গ্রাফটিং বা জোড়কলম প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রীষ্মকালে বাণিজ্যিকভাবে প্রচুর পরিমাণে টমেটোর চারা উৎপাদন করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম জানান সদর উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ গ্রাফটিংয়ের চারা উৎপাদিত হয় যার মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এসব নার্সারীতে সারা বছর প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকার চারা কেনাবেচা হয়। চারা উৎপাদনে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়