
যশোর সংবাদদাতাঃ
যশোরে সখের বসে রঙিন মাছ চাষাবাদে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন মো.আব্দুল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থী উদ্যোক্তা। দুটি মাছ থেকে এখন তিনি গড়ে তুলেছেন রঙিন মাছের বিশাল হ্যাচারী। যেখান থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে সারা দেশে বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা আয় করে নিজের ভাগ্যর চাকা ঘুরিয়েছেন।
জানা যায়,কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালি গ্রামে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আব্দুল্লা শখের বশে বাড়িতে কাঁচের বয়ামে মাত্র দুটি রঙিন মাছ পোষেন আব্দুল্লাহ। কয়েক দিন যেতে না যেতে বুঝতে পারেন একটি মাছের পেটে ডিম এসেছে। তখনই সিদ্ধান্ত নেন বাড়িতে বাণিজ্যিকভাবে এই মাছের চাষাবাদ করবেন। এরপর তিনি উঠানে হাইজ নির্মাণ করে এই মাছ চাষ শুরু করেন। সাফল্য পেলে পরর্বতীতে দুইটি হেচারি ও ৫৬টি হাউজে বাণিজ্যিকভাবে এই মাছ চাষের পরিধি বাড়ান।
এখন তিনি উঠানের হাউজ ও পুকুরে ২২ প্রজাতির রঙিন মাছ চাষ করছেন, ঘটাচ্ছেন প্রজননও। এসব মাছের মধ্যে রয়েছে ফাইটার ফিশ, গোল্ডফিশ, কইকাপ, কমেট, মিঙ্ গাপ্পি, ব্ল্যাক মন্টেল, ব্ল্যাক ননমন্টেল, ব্ল্যাক বেলুন মলি, হোয়াইট বেলুন মলি, রেডিয়াম হোয়াইট মলি, স্টেল, প্লাটি, জেব্রা।
মাছ চাষের উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ জানান, ৬ বছর আগে ৪০ টাকা দিয়ে দুটি রঙিন মাছ কিনে বয়ামে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। শখ করে কেনা সেই মাছই আজ তার স্বপ্ন পূরণের চাবি হিসেবে ধরা দেয়। গত ৬ বছর ধরে তিনি পরিশ্রম ও ধৈর্য্যরে সঙ্গে রঙিন মাছ চাষ করছেন। বর্তমানে ঢাকা, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রঙিন মাছ সরবরাহ করছি। এই মাছেই আমার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।
কেশবপুর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, ‘রঙিন মাছ চাষ করে আব্দুল্লাহ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। তার দেখাদেখি গ্রামের অন্যরাও রঙিন মাছ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।’ তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ মৎস্য বিভাগসহ এলাকায় মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। রঙিন মাছ চাষেই তার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।
কৃ/স/জয়