প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং
সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে হরিলুট

লক্ষীপুর সংবাদদাতাঃ
লক্ষীপুরে বন বিভাগের বিরুদ্ধে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। দুই বছর আগে গাছ বিক্রি করা হলেও সুফলভোগীদের কোন টাকা দেয়া হয়নি। এ নিয়ে সুফলভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তোরাবগঞ্জ থেকে করুণানগর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়কে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসাবে গাছ লাগান স্থানীয় সুফল ভোগীরা। গাছগুলো অনেক বড় হয়েছিলো। বন বিভাগ সেই গাছ ফজুমিয়ার হাট থেকে উত্তর পাশের ওয়াবদা বেড়ীবাঁধ সড়কের আওতায় গাছ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিধি অনুযায়ী গাছ বিক্রির অর্থ ১০-১৫ দিনের মধ্যে চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে সেই শর্ত পূরণ না করেই রহস্যজনকভাবে ঠিকাদারকে গাছ কাটার অনুমতি (ডিও) দেয় বন বিভাগ।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি কোষাগারে পূর্ণাঙ্গ রাজস্ব জমা না দিয়ে এবং সুফলভোগীদের পাওনা বুঝিয়ে না দিয়েই বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সব গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া ঝড়ে পড়ে যাওয়া আরও ৫-৬টি লটের কাঠের হিসাব নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।
জমির মালিকানা ও অধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করে বাগানের সভাপতি মো. শাহজাহান মেম্বার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জমির বৈধ দলিল ও অধিকার আমাদের থাকা সত্ত্বেও বন বিভাগ জোরপূর্বক সব গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আমাদের না জানিয়েই গাছ হরিলুট করা হয়েছে, অথচ আজ দুই বছর ধরে আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলনগর উপজেলা বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সুফলভোগীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে আমরা নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা বুঝিয়ে দেব।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়