প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 8, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 8, 2026 ইং
ফরিদপুরে ৫শ’কোটির পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন

ফরিদপুর সংবাদদাতাঃ
দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনের শীর্ষ জেলা ফরিদপুরে এবার ৫শ’কোটি টাকার কালো সোনা খ্যাত পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হয়েছে। যা দেশের অর্ধেক বীজের চাহিদা যোগাবে। পেঁয়াচ চাষে লাভবান না হলেও বীজ বিক্রি কওে লাভের আশা করছেন এখানকার চাষীরা।
জানা যায়,চলতি বছর ফরিদপুর জেলায় প্রায় ১ হাজার ৮৫৪ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজবীজ চাষ হয়েছে। এসব জমি থেকে প্রাক্কলিত ৯৬৪ টনের বেশি বীজ উৎপাদনের কথা রয়েছে। মানভেদে প্রতি মণ পেঁয়াজবীজ ২ থেকে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়। এ হিসাবে চলতি মৌসুমে ফরিদপুরে উৎপাদিত বীজের বাজারমূল্য ৫০০-৫৫০ কোটি টাকা।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, পেঁয়াজবীজের মান ধরে রাখতে উৎপাদন থেকে সংরক্ষণ পর্যন্ত নানা বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়। মান ঠিক না থাকলে বাজারজাতেও সমস্যায় পড়তে হয়। ফরিদপুরের বীজের মান ভালো হওয়ায় দেশজুড়ে এর সুনাম ও চাহিদা রয়েছে।
জেলার অম্বিকাপুরের উদ্যোক্তা শাহীদা বেগমও পেঁয়াজবীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাতের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছর তিনি প্রায় ১০০ একর জমিতে পেঁয়াজবীজ আবাদ করে ৪০ টন বীজ উৎপাদন করেছেন। ‘খাঁন বীজ’ ও ‘নকশী কাঁথা’ নামে দুটি ব্র্যান্ডে এসব বীজ বাজারজাত করেন তিনি। প্রতিদিন গড়ে ৩০ মণের বেশি বীজ প্যাকেটজাত করা হয় তার প্রতিষ্ঠানে। এ কাজে যুক্ত রয়েছেন এলাকার নারী শ্রমিকরা।
এবার দেশের বাজারে কাঁচা পেঁয়াজের বাজারদর কমে যাওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন কৃষকরা। তাদের আশঙ্কা, পেঁয়াজ চাষে কৃষক ন্যায্যমূল্য না পেলে আবাদ কমে যেতে পারে। এতে ভবিষ্যতে পেঁয়াজবীজের উৎপাদন ও দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই দেশীয় বীজ রফতানির বাজার তৈরিতে সরকারের সহযোগিতা চান তারা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান বলেন,প্রতিকূলতার মধ্যেও উদ্যোক্তা ও কৃষকদের পরিশ্রমে এবার মানসম্পন্ন পেঁয়াজবীজ উৎপাদিত হয়েছে। বীজের মানোন্নয়ন, উৎপাদন ও সংরক্ষণসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে কৃষি বিভাগ নিয়মিতভাবে কৃষকদের সহযোগিতা করছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়