প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 7, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 7, 2026 ইং
মুখী কচুতে কৃষকের মুখে হাসি

দিনাজপুর সংবাদদাতাঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে এবার মুখী কচু চাষাবাদে ভাল ফলন এবং দামে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার মুখী কচু যাচ্ছে সারা দেশের বাজারে।
বিরামপুর উপজেলার নতুন বাজারে এখন মুখী কচুর কেনাবেচা জমজমাট। কৃষকরা প্রতিদিন এই বাজারে তাদের উৎপাদিত মুখী এনে ৮শ’থেকে ৯শ’টাকা মণ দরে বিক্রি করছেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা মুখী কচু কিনে ট্রাকে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় পাইকরাও কিনে নিচ্ছেন।
ভেলারপাড় গ্রামের কৃষক হেলাল জানান, দুই বিঘা জমিতে বারি মুখী কচু-১ চাষ করেছি। এবার ফলন বেশ ভালো হয়েছে। বাজারে ন্যায্য দামও পাচ্ছি। এ কারণে এলাকায় মুখী কচুর আবাদ বাড়ছে।
উপজেলার মুকুন্দপুর গ্রামের কচুচাষি ফজলু মিয়া বলেন, এবার মোকামে কচুর ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। ফলনও ভালো হয়েছে। তাই খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকছে।
কৃষকেরা জানান, অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় মুখী কচু চাষে ঝামেলা কম। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে এতে লাভের সুযোগও বেশি। এ কারণে প্রতি বছর এ ফসলের আবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।
বিরামপুর নতুন বাজারের ব্যবসায়ী বাবলু মন্ডল বললেন, ‘এবার উপজেলায় মুখী কচুর ফলন ভালো হয়েছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা ভালো থাকায় বাজারে বেশি পরিমাণে কচু আসছে। ফলে মোকামে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে।’
ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর মুখী কচুর আমদানি ভালো হওয়ায় মোকামে কেনাবেচা বেড়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উৎপাদিত কচু দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে।
বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কোমল কৃষ্ণ রায় বলেন, ‘মুখী কচুর আবাদে তুলনামূলকভাবে খরচ কম এবং লাভের সম্ভাবনা বেশি। চলতি মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় ১৮৫ হেক্টর জমিতে কচু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কৃষকদের আগ্রহের কারণে সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। কৃষকরা বারি মুখী কচু-১ ও মালশিরা জাতের কচু চাষ করছেন। এ বছর এসব জাতের ফলনও ভালো হয়েছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়