প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 24, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 24, 2026 ইং
হাঁস পালনে আতাউরের ভাগ্য বদল

নওগাঁ সংবাদদাতাঃ
নওগাঁয় হাঁস পালনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন আতাউর রহমান নামে এক খামারী। অল্প পুঁজি নিয়ে তিনি মাত্র সাত বছরে এই খামারের মাধ্যমে প্রতি মাসে আয় করছেন প্রায় লাখ টাকা। যা তার সংসারে সচ্ছলতা আনার পাশপাশি নিজের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। আতাউর জেলার পোরশা উপজেলার হাবিব মোড় এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়,সাত বছর পূর্বে তিনি এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা লোন নিয়ে হাঁসের খামার করেন। সেই হাঁসই এখন তার জীবনে হাঁসি ফুটিয়েছে। নিজে শ্রম দিয়ে এখন গড়ে তুলেছেন বিশাল হাঁেসর খামার। যেখানে প্রায় ৮৫০টি হাঁস রয়েছে। প্রতিদিন খামার থেকে ডিম বিক্রি করে ৭ হাজার টাকা জমা হয়। এর মধ্যে হাঁসের খাবারসহ অন্যান্য খাতে খরচ হয় প্রায় চার হাজার টাকা। খরচ বাদে তার আয় থাকে প্রায় তিন হাজার টাকা। সে হিসাবে মাসে এই খামার থেকে তার মাসে নিট আয় প্রায় ৯০ হাজার টাকা। যা দিয়ে তিনি কিনেছেন দুই বিঘা জমি। নির্মাণ করেছেন ইটের নতুন বাড়ি। পাঁচ সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণের পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার খরচও এই আয়ের মাধ্যমেই চালাচ্ছেন তিনি।
আতাউর জানান,এই খামার শুরুর প্রথম দিনগুলো খুব কষ্টের ছিলো। । পুঁজির অভাবে নদী, খাল-বিল ও বিভিন্ন জলাশয়ে হাঁসের পাল নিয়ে ঘুরে ঘুরে ভ্রাম্যমাণ খামার পরিচালনা শুরু করেন। উন্মুক্ত জলাশয়ে হাঁস চরানোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক খাবারের ওপর নির্ভর করায় তার খরচ কমেছে। একই সঙ্গে ডিমের মানও ভালো থাকে। সঠিক নিয়ম মেনে ও পরিশ্রম করে হাঁস পালন করলে ক্ষতির আশঙ্কা কম। এনজিও থেকে নেওয়া ৫০ হাজার টাকার ঋণই আমাকে শুরু করার সুযোগ করে দিয়েছিল। সেই ঋণই আজ আমাকে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করেছে।’
স্থানীয়দের কাছে আতাউর রহমান এখন সফলতার উদাহরণ। তার সাফল্য এলাকার অনেক বেকার যুবককেও হাঁস পালনে আগ্রহী করে তুলছে। সঠিক পরিকল্পনা, শ্রম ও উদ্যোগ থাকলে সীমিত পুঁজি নিয়েও যে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব, তারই দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন তিনি।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়