প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 21, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 20, 2026 ইং
চাঁদপুরে আখের বাম্পার ফলন

চাঁদপুর সংবাদদাতাঃ
চাঁদপুরে অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় আখ চাষের পরিধি বেড়ে চলেছে। চলতি মৌসুমে এ জেলায় লক্ষমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আখ চাষাবাদ হয়েছে। এখানকার আখ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে সারা দেশে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৬৭৭ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে আবাদ হয়েছে ৬৮১ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হেক্টর বেশি।
জেলার আট উপজেলার মধ্যে চাঁদপুর সদর, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও হাইমচর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদিত হয়। চাষাবাদ হওয়া আধুনিক জাতের আখের মধ্যে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ‘চাঁদপুর গেন্ডারী’ ও ‘রং বিলাস’ উল্লেখযোগ্য। এসব জাত সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলার ফসলের মাঠে এখন খেতে সারি সারি মিষ্টি আখে ভরে আছে চারপাশ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগবালাই কম হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসির ঝিলিক। অল্প খরচে এ চাষাবাদে ভাল লাভ হওয়ায় দ্রুত এর পরিধি বেড়ে চলেছে।
জেলা সদরের লক্ষীপুর ইউনিয়নের কৃষক বিল্লাল খাঁন জানান,এবারই প্রথম ২৪ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। চাষাবাদে ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আশা করছি ৮০ হাজার টাকার মতো আখ বিক্রি করতে পারব।
একসময় যে জমিতে নিয়মিত ধান ও পাট চাষ হতো, সেখানে এখন সোনালি আখের বাম্পার ফলনে ভরে উঠেছে চাঁদপুরের ফসলের মাঠ। পলি ও দোআঁশ মাটির উর্বরতা এবং আধুনিক জাত ব্যবহারের ফলে অল্প পুঁজিতে অধিক লাভবান হচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।
ভাল ফলন আর লাভ হলেও এ চাষাবাদ নিয়ে কৃষকদের অভিযোগও রয়েছে। তারা বলছেন,সরকারি সুযোগ-সুবিধার বড় অংশ প্রায়ই প্রভাবশালীরা পেয়ে থাকেন। যার সুফল সাধারণ ও প্রান্তিক চাষিরা অনেক সময় পুরোপুরি পান না।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন,মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত আধুনিক জাতের আখ চাষ এবং জৈব সার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকরা যাতে সহজেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান এবং চাষাবাদ আরও সম্প্রসারিত হয়, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়